দুষ্কৃতীদের যম ‘বিস্ট’! দ্বিতীয় দফায় বাংলায় পা রাখছে সিআরপিএফ-এর বিশেষ সাঁজোয়া যান

দুষ্কৃতীদের যম ‘বিস্ট’! দ্বিতীয় দফায় বাংলায় পা রাখছে সিআরপিএফ-এর বিশেষ সাঁজোয়া যান

রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় রদবদল আনছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণকে সামনে রেখে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হচ্ছে সিআরপিএফ-এর বিশেষ সাঁজোয়া যান ‘বিস্ট’। রবিবার সিআরপিএফ-এর ডিজি জিপি সিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অত্যাধুনিক যানের ভিডিও প্রকাশ করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বাহিনীর পক্ষ থেকে এই শক্তি প্রদর্শনকে দুষ্কৃতীদের জন্য ‘যম’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা

প্রথম দফার তুলনায় দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি বহুগুণ বাড়ানো হচ্ছে। কমিশন সূত্রে খবর, এবারের নির্বাচনে মোট ২ হাজার ৩২১ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তপ্ত ও স্পর্শকাতর বুথগুলোতে দ্রুত যাতায়াত এবং বাহিনীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই সাঁজোয়া যানগুলো ব্যবহার করা হবে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কমিশনের কড়া অবস্থান

ভোটের সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আজ কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছে কমিশন। মাঠ পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনিক স্তরেও সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। কমিশনের লক্ষ্য হলো, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও বিপুল সংখ্যক বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোটারদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা এবং কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

এক ঝলকে

  • দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে ২ হাজার ৩২১ কো ম্পা নি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
  • সংবেদনশীল এলাকায় টহল দিতে নামানো হচ্ছে সিআরপিএফ-এর বিশেষ সাঁজোয়া যান ‘বিস্ট’।
  • অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।
  • কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক করেছে কমিশন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *