শিবপুরে কি ফুটবে পদ্ম! তৃণমূলকে পেছনে ফেলে জয়ের পথে রুদ্রনীল ঘোষ
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/03/Rudranil-Ghosh.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
হাওড়ার শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে। ভোটগণনার প্রাথমিক পর্যায় থেকেই এই কেন্দ্রে চমকপ্রদ ফল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রানা চট্টোপাধ্যায়কে পেছনে ফেলে উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রুদ্রনীল তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ৫,৫৯৬ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
শিবপুরের ত্রিমুখী লড়াই ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শিবপুর কেন্দ্রটি ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মানের লড়াই। এখানে বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায় এবং কংগ্রেসের শ্রাবন্তী সিংহ। ত্রিমুখী লড়াইয়ের পূর্বাভাস থাকলেও গণনার ট্রেন্ড বলছে, মূল লড়াই বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। ২০২১ সালে ভবানীপুর কেন্দ্রে হেভিওয়েট নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হারের পর, শিবপুরে রুদ্রনীলের এই প্রাথমিক লিড তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ফলাফলের কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিবপুরের বর্তমান ভোটারদের একাংশের মধ্যে প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া এবং বিজেপির সুসংগঠিত প্রচার রুদ্রনীলকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে। ২০২১ সালে প্রায় ২৮ হাজার ভোটে পরাজিত হওয়ার পরেও মাঠ না ছাড়া এবং দলের হয়ে লাগাতার সক্রিয় থাকা রুদ্রনীলের জনসমর্থন বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছে।
যদি গণনার এই ধারা বজায় থাকে, তবে শিবপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে জয় বিজেপির জন্য হাওড়া জেলায় বড়সড় সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। অন্যদিকে, তৃণমূলের জন্য এই ব্যবধান চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে চূড়ান্ত দফার গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখনই জয়-পরাজয় নিয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এখন দেখার বিষয়, ইভিএম-এর শেষ কয়েক রাউন্ডে শিবপুরের রায় কার পক্ষে যায়।