“বাংলাকে নতুন করে সাজাতে হবে, রাজ্যে কোনো আইন-শৃঙ্খলা নেই”: শপথ নিয়েই হুঙ্কার দিলীপের
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/09/dilip-ghosh-key-architect-of-bjp-historic-victory-in-west-bengal-2026-2026-05-09-13-45-51.jpg?w=640&resize=640,360&ssl=1)
শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। যদিও তাঁকে এখনও কোনো নির্দিষ্ট দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, তবে শপথ গ্রহণের পরদিন রবিবার সকালেই নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার এবং আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে।
রাজ্যের পুনর্গঠন ও আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার
রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ জানান, বর্তমানে বাংলার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। রাজ্যের সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং প্রশাসনিক স্তরে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের বাংলাকে পুনর্গঠন করতে হবে, নতুন করে সাজাতে হবে।” বিশেষ করে ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন যে তাঁর অন্যতম লক্ষ্য, সেই ইঙ্গিতও তিনি দিয়েছেন।
দ্রুত পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি
রাজ্যের উন্নয়নের জন্য সব স্তরে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ শেষ করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে। তবে কাজ শুরু করতে দেরি করতে রাজি নন নবনিযুক্ত এই মন্ত্রী। তাঁর দাবি, সরকার অবিলম্বে কাজ শুরু করে দেবে এবং সাধারণ মানুষ খুব দ্রুতই সেই পরিবর্তনের প্রতিফলন দেখতে পাবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় ধরনের রদবদলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নবগঠিত সরকার যে শুরু থেকেই আইনশৃঙ্খলা এবং জননিরাপত্তার বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তাঁর কথা থেকে তা স্পষ্ট। সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন এই নতুন প্রশাসনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।