পোখরান পরমাণু পরীক্ষা ভারতের বৈজ্ঞানিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী মোদী

জাতীয় প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ১৯৯৮ সালের ঐতিহাসিক পোখরান পরমাণু পরীক্ষার স্মৃতিচারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই সফল পরীক্ষাকে ভারতের বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ, কঠোর পরিশ্রম এবং অটল প্রতিশ্রুতির এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পোখরানের সেই মুহূর্তটি বিশ্ব দরবারে ভারতের অভাবনীয় সামর্থ্যকে তুলে ধরেছিল এবং বিজ্ঞানীদের এই আত্মত্যাগ দেশকে এক নতুন আত্মবিশ্বাসের শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।
আত্মনির্ভর ভারত গঠনে প্রযুক্তির ভূমিকা
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি একটি ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়েছে। এটি কেবল উদ্ভাবনের গতিকেই ত্বরান্বিত করছে না, বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগের সম্প্রসারণ ঘটিয়ে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো প্রতিভা বিকাশ এবং গবেষণার সঠিক পরিবেশ তৈরি করা, যাতে দেশীয় সমাধানগুলি মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারে এবং জাতির অগ্রগতি নিশ্চিত হয়।
ঐতিহ্য ও বিজ্ঞানের মেলবন্ধন
এই বিশেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী একটি সংস্কৃত সুভাষিত ভাগ করে নেন, যেখানে ‘অগ্নি’কে স্বর্গের সর্বোচ্চ শক্তি এবং পৃথিবীর শক্তির মূল উৎস হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার মধ্যে লুকিয়ে থাকা শক্তি যেভাবে সৃষ্টিতে প্রাণের সঞ্চার করে, ঠিক তেমনি ১৯৯৮ সালের সেই পরমাণু পরীক্ষা ভারতের অন্তর্নিহিত শক্তিকে জাগ্রত করেছিল। বিজ্ঞানীদের ‘দেশের গৌরব ও স্বাভিমানের প্রকৃত রূপকার’ আখ্যা দিয়ে তিনি জানান, তাঁদের অবদানেই আজ ভারত বিশ্বমঞ্চে এক শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে।