একাকিত্বের গুঞ্জন উড়িয়ে গ্যালাক্সিতে সাপের হানা নিয়ে মুখ খুললেন সালমান

বলিউডের ‘মোস্ট এলিজিবল ব্যাচেলর’ সালমান খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহলের শেষ নেই। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে অভিনেতার একটি ছবি ও তার ক্যাপশন ঘিরে তীব্র জল্পনা তৈরি হয় নেটপাড়ায়। ৬০ বছর বয়সী এই সুপারস্টার একাকিত্বে ভুগছেন কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হতেই আসরে নামেন স্বয়ং ভাইজান। তবে এই গুঞ্জনের মাঝেই সোমবার সকালে মুম্বইয়ের বান্দ্রায় সালমানের আবাসন ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট’-এ আচমকা সাপের উপদ্রব ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়।
একাকিত্বের জল্পনা ও মায়ের দুশ্চিন্তা
সোম সকালে সমাজমাধ্যমে একটি ‘শার্টলেস’ ছবি পোস্ট করেন সালমান খান। আলো-আঁধারিতে উন্মুক্ত ঊর্ধ্বাঙ্গের সেই ছবির সঙ্গে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা জুড়ে দেন তিনি। অভিনেতার এই পোস্ট ঘিরেই তাঁর ঘনিষ্ঠমহল ও ভক্তদের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। অনেকেই ধরে নেন যে অভিনেতা হয়তো মানসিক একাকিত্বে ভুগছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে সালমানের মা ছেলের খোঁজ নিয়ে জানতে চান তাঁর কী হয়েছে।
পরিবারের উদ্বেগ ও চারপাশের গুঞ্জন থামাতে দ্রুত পাল্টা পোস্ট করেন সালমান। একাকিত্বের তত্ত্ব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, তাঁর পোস্টের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের কোনো সম্পর্ক নেই। এত বড় পরিবার এবং কোটি কোটি ভক্তের ভালোবাসায় তিনি নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ বলে দাবি করেন। সালমানের মতে, কাজের ক্লান্তির কারণে মাঝে মাঝে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন মাত্র, যা ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে সাপের হানা
একাকিত্বের এই নাটকের মধ্যেই সোমবার সকালে সালমান খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের নিচে একটি সাপ দেখতে পান নিরাপত্তারক্ষীরা। সুপারস্টারের আবাসন হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দেরি না করে খবর দেওয়া হয় স্থানীয় প্রশাসন ও বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী দলকে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে একজন পেশাদার উদ্ধারকারী খালি হাতেই সাপটিকে কাবু করেন এবং প্লাস্টিকের ব্যাগে বন্দি করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।
উল্লেখ্য, এর আগে নিজের পনভেল ফার্মহাউসে সাপের কামড় খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল সালমান খানকে। তবে এবার খোদ মুম্বইয়ের বাসভবনের নিচে সাপের দেখা মেলায় ভাইজানের নিরাপত্তা ও আবাসনের চারপাশের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে দ্রুত সাপটি উদ্ধার হওয়ায় বড়সড় কোনো বিপত্তি ঘটেনি।