‘মুখ ধুয়ে তবেই ঢুকুন!’ পানের পিক রুখতে কালনা হাসপাতালে কড়া বিধায়কের নিদান

পানের পিকে নোংরা হচ্ছে হাসপাতাল, রুখতে কড়া পাহারার দাওয়াই বিধায়কের!
সরকারি হাসপাতালের দেওয়ালে পানের পিক ও যত্রতত্র নোংরা আবর্জনা ফেলা রুখতে এবার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এখন থেকে পান বা গুটখা মুখে নিয়ে কোনো রোগী বা তাঁদের আত্মীয়রা আর হাসপাতাল চত্বরে প্রবেশ করতে পারবেন না। প্রয়োজনে গেটেই তাঁদের মুখ ধুইয়ে তবেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমা হাসপাতাল ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে নিরাপত্তারক্ষীদের ঠিক এই নির্দেশই দিয়েছেন কালনার বিজেপি বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার।
পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে কড়া নজরদারি
মূলত অসচেতনতা এবং নজরদারির অভাবের কারণেই হাসপাতালের দেওয়ালে দেওয়ালে পানের পিকের দাগ এবং নোংরা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এই অব্যবস্থার জেরে হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম অস্বস্তিতে পড়ছেন। বুধবার দুই হাসপাতালের সামগ্রিক পরিষেবা নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই বিধায়ক নিজে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এই কড়া নিদান দেন।
এই নতুন নিয়ম বাস্তবায়িত হলে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। গেটে কঠোর চেকিংয়ের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেমন সচেতনতা বাড়বে, তেমনই হাসপাতালের দেওয়ালে পানের পিক ফেলার প্রবণতা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমবে। সরকারি সম্পত্তি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ আগামী দিনে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।
এক ঝলকে
প্রয়োজনে হাসপাতাল গেটেই দর্শনার্থীদের মুখ ধুইয়ে ভেতরে প্রবেশ করানো হবে।
কালনা মহকুমা ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পান বা গুটখা মুখে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
হাসপাতালের দেওয়ালে পানের পিক ও নোংরা দেখে নিরাপত্তারক্ষীদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বিধায়ক সিদ্ধার্থ মজুমদার।
অসচেতনতার কারণে হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।