এক বছরে দ্বিতীয়বার! ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরেই দিল্লি আসছেন পুতিন

পুতিন আবার আসছেন ভারতে, বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে নজর এখন দিল্লির দিকে
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব ভূ-রাজনীতি যখন চরম অশান্ত, ঠিক তখনই ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে, এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতেই পুতিনের এই বিশেষ দিল্লি সফর। ১ বছরের মধ্যে এটি তার দ্বিতীয় ভারত সফর হতে চলায় কূটনৈতিক মহলে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
জ্বালানি সংকট ও দিল্লির কৌশলগত অবস্থান
বর্তমানে হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বড়সড় সংকটের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত হন্যে হয়ে বিকল্প জ্বালানির উৎস সন্ধান করে চলেছে। রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানির বিষয়ে ইতিপূর্বেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বিশেষ ছাড়পত্র জোগাড় করে রেখেছে দিল্লি। পুতিনের এই সফর ভারতের সেই জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত
ক্রেমলিনের এই ঘোষণার পর সাউথ ব্লক আশাবাদী যে, পুতিনের সফরে কেবল জ্বালানি ব্যবস্থাপনাই নয়, বরং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে রাশিয়া ও ভারতের এই ঘনিষ্ঠতা আন্তর্জাতিক সমীকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
এক ঝলকে
এই হাই-প্রোফাইল সফরের মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন।
এই সম্মেলনে যোগ দিতে ১ বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো ভারত সফরে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
হরমুজ প্রণালী বন্ধের সংকটের মাঝে রাশিয়ার থেকে বিকল্প জ্বালানি ও তেলের উৎস নিশ্চিত করতে চায় ভারত।