মে মাসের শেষ সপ্তাহে লটারিতে কাদের খুলবে ভাগ্য চাবি এবং কাদের অপেক্ষা করবে হতাশা!

লটারি মানেই এক রাতের ব্যবধানে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন। তবে এই ভাগ্যের খেলায় যেমন রয়েছে প্রাপ্তির আনন্দ, তেমনই রয়েছে অর্থ খোয়ানোর ঝুঁকি। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান ভেদে মানুষের জীবনে আর্থিক প্রাপ্তির যোগ ওঠানামা করে। মে মাসের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২৪ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত লটারির টিকিটে কার ভাগ্য সহায় হবে আর কাদের সতর্ক থাকতে হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে এক বিশেষ হিসাব-নিকাশ।
কারা ভাসবেন ভাগ্যের জোয়ারে
চলতি সপ্তাহের নক্ষত্র বিন্যাস অনুযায়ী কিছু রাশির জন্য সময়টি বেশ সম্ভাবনাময়। ধনু রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য এই সপ্তাহে শক্তিশালী আর্থিক যোগ রয়েছে, ফলে তারা লটারির টিকিট কেটে ভাগ্য পরীক্ষা করতে পারেন। কন্যা রাশির আর্থিক দিকটিও বেশ শুভ, তবে লটারি কেনার ক্ষেত্রে তাদের অতিরিক্ত আবেগ নিয়ন্ত্রণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কুম্ভ রাশির জাতক-জাতিকারা সপ্তাহের শেষ ভাগে একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন, সেখানে তাদের প্রাপ্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
সতর্কতা এবং মধ্যম যোগের রাশি
কিছু রাশির ক্ষেত্রে পুরো সপ্তাহ ভালো না গেলেও নির্দিষ্ট সময়ে সুযোগ আসতে পারে। বৃষ এবং মকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য সপ্তাহের প্রথম ভাগটি অত্যন্ত শুভ হলেও, শেষ ভাগে লটারি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা উচিত। সিংহ রাশির ক্ষেত্রেও সপ্তাহের শুরুতেই কেবল লটারি কাটার অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। অন্যদিকে বৃশ্চিক রাশির জন্য এই সপ্তাহটি মধ্যম প্রকৃতির, তাই তারা বড় ঝুঁকি না নিয়ে ছোট সংখ্যার লটারি কেটে দেখতে পারেন। মীন এবং তুলা রাশির জাতক-জাতিকাদের প্রবল ইচ্ছা থাকলেও বেশি অঙ্কের টিকিট না কেটে কম অঙ্কের বিষয়ে ভাবা শ্রেয়। কর্কট রাশির ব্যক্তিদের যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
হতাশার মেঘ যাদের আকাশে
গ্রহের অবস্থান অনুকূলে না থাকায় কিছু রাশির জন্য এই সপ্তাহটি আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। মেষ রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্য লটারির দিকটি একেবারেই ভালো নয়, তাই তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। মিথুন রাশির জন্যও গোটা সপ্তাহ জুড়ে নেতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। সঠিক প্রাপ্তিযোগ না থাকা সত্ত্বেও লটারি কাটলে দিনের পর দিন কেবল হতাশাই বাড়ে। তাই জ্যোতিষীদের মতে, নিজের রাশির শুভ-অশুভ সময় এবং গ্রহের প্রভাব বিবেচনা না করে হুজুগে লটারি কাটলে রাতারাতি ধনবান হওয়ার চেয়ে পকেটের টাকা খোয়ানোর ঝুঁকিই বেশি থাকে।