প্রেমিকার বাড়িতে যেতেই চরম পরিণতি! যুবককে টুকরো টুকরো করে কেটে কুয়োয় ফেলল বাবা

প্রেমিকার বাড়িতে যেতেই চরম পরিণতি! যুবককে টুকরো টুকরো করে কেটে কুয়োয় ফেলল বাবা

প্রেমের নির্মম পরিণতি! প্রেমিকাকে দেখতে গিয়ে টুকরো টুকরো হলেন যুবক

অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাশম জেলায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মারকাপুরম এলাকার ইন্ধিরা নগরের বাসিন্দা ২১ বছর বয়সী অঞ্জনেয়ুলু নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে দেহ টুকরো টুকরো করে একটি কূপে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ তদন্তে নেমে মূল অভিযুক্ত ভেঙ্কটরামন এবং তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করার পর এই ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচিত হয়।

যেভাবে ঘটল এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৩ মে। অঞ্জনেয়ুলুর দিদি তার বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পথে একটি জরুরি কাজের কথা বলে অঞ্জনেয়ুলু মাঝপথেই নেমে যান। তদন্তে জানা যায়, অঞ্জনেয়ুলুর ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন ওই কিশোরী ফোন করে জানায় যে তার বাবা-মা বাড়িতে নেই। প্রেমিকার ডাকে সাড়া দিয়ে রাত সাড়ে দশটা নাগাদ অঞ্জনেয়ুলু তাদের বাড়ি পৌঁছান। কিন্তু আচমকাই কিশোরীর বাবা ভেঙ্কটরামন ও মা রমনা বাড়ি ফিরে আসেন এবং দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন।

অপরাধ ঢাকতে দেহ টুকরো করে কূপে নিক্ষেপ

নিজের মেয়েকে ওই যুবকের সাথে দেখে চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাবা ভেঙ্কটরামন। তিনি ঘরে থাকা একটি লোহার রড দিয়ে অঞ্জনেয়ুলুর মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর নিজের অপরাধ গোপন করার উদ্দেশ্যে ভেঙ্কটরামন একটি ধারাল ছুরি দিয়ে অঞ্জনেয়ুলুর মৃতদেহ টুকরো টুকরো করে কাটেন। সেই দেহাংশগুলো নিয়ে বাড়ির কাছের একটি ১০০ ফুট গভীর কূপে ফেলে দেওয়া হয়। যুবক বাড়ি না ফেরায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে এই হত্যাকাণ্ডের কিনারা করে।

এক ঝলকে

  • অন্ধ্রপ্রদেশের প্রকাশম জেলায় ২১ বছর বয়সী যুবক অঞ্জনেয়ুলুকে নৃশংসভাবে হত্যা।
  • প্রেমিকার ডাকে তার বাড়িতে গিয়ে কিশোরীর বাবা-মায়ের হাতে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন যুবক।
  • ক্ষিপ্ত বাবা লোহার রড দিয়ে আঘাত করে যুবককে খুনের পর দেহ টুকরো করে ১০০ ফুট গভীর কূপে ফেলে দেন।
  • নিখোঁজ ডায়েরির সূত্রে ধরে মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ মূল অভিযুক্ত ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *