মাঠে ফিল্ডিং করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরবিদায় নিলেন রাহুল-উত্থাপ্পাদের প্রাক্তন সতীর্থ!

মাঠে ফিল্ডিং করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিরবিদায় নিলেন রাহুল-উত্থাপ্পাদের প্রাক্তন সতীর্থ!

চলতি আইপিএলের উন্মাদনার মাঝেই ভারতীয় ক্রিকেট মহলে নেমে এল তীব্র শোকের ছায়া। মাঠেই খেলা চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কর্নাটকের রনজি জয়ী দলের সদস্য ও পেসার এসএল অক্ষয়। কেএল রাহুল, রবিন উত্থাপ্পা ও ময়ঙ্ক আগরওয়ালের মতো তারকা ক্রিকেটারদের এই প্রাক্তন সতীর্থের এমন আকস্মিক চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না দেশের ক্রীড়ামহল।

মাঠেই আচমকা অসুস্থতা ও মর্মান্তিক পরিণতি

রবিবার কর্নাটকের একটি ডিভিশন লিগ ম্যাচে খেলছিলেন অক্ষয়। ম্যাচ চলাকালীন বল হাতে ৪ ওভার বলও করেন তিনি। এরপর স্লিপে ফিল্ডিং করার সময় আচমকাই তীব্র মাথা ঘোরার সমস্যা শুরু হয় তাঁর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে দ্রুত মাঠ ছেড়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি; পথেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এই শান্ত স্বভাবের ক্রিকেটার। প্রাক্তন ক্রিকেটার ডোড্ডা গণেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম এই দুঃসংবাদটি প্রকাশ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

খেলোয়াড় থেকে কোচ, এক অপূর্ণ সম্ভাবনার অবসান

২০১১-১২ মরশুমে কর্নাটকের হয়ে দুর্দান্ত সাফল্য পাওয়া অক্ষয় ২০১৪-১৫ মরশুমের রনজি ট্রফি জয়ী দলেরও সদস্য ছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ২৮.১১ গড়ে ১৮টি উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি। এছাড়া লিস্ট ‘এ’ এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও বল হাতে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছিলেন। ২০১৩ সালের পর রাজ্য দলে নিয়মিত সুযোগ না পেলেও স্থানীয় ক্রিকেটে টানা সক্রিয় ছিলেন। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে সম্প্রতি কর্নাটকের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবে এক নতুন ইনিংস শুরু করেছিলেন অক্ষয়। অল্প দিনেই তরুণ ক্রিকেটারদের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠা এই কোচের অকাল প্রয়াণ কর্নাটকের ভবিষ্যৎ ক্রিকেট প্রতিভাদের বিকাশে বড় ধাক্কা দিয়ে গেল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *