সাবধান, বাড়ির এই জায়গায় ধূপ বা প্রদীপ রাখলেই ঘটতে পারে চরম অমঙ্গল!

বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী পুজো-পার্বণের সময় প্রদীপ বা ধূপকাঠি জ্বালানো অত্যন্ত পবিত্র একটি আচার। ধূপের সুগন্ধে আর প্রদীপের আলোয় চারপাশের পরিবেশ স্নিগ্ধ ও মন শান্ত হয়ে ওঠে। তবে এই অতি পরিচিত দৈনন্দিন কাজের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে ঘোর বিপদ। অনেকেই অজান্তে বাড়ির যেকোনো স্থানে যথেচ্ছভাবে ধূপ বা প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখেন, যা মোটেও শুভ নয়। নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় এগুলো রাখলে সংসারে অশুভ শক্তির প্রবেশ ঘটে এবং পুণ্য অর্জনের বদলে জীবনে চরম অমঙ্গল ও আর্থিক ক্ষতি নেমে আসতে পারে।
ভুল অভ্যাসে বাড়ছে বাস্তুদোষ ও অশান্তি
অনেকে দুর্গন্ধ দূর করতে শৌচাগার বা বাথরুমের আশেপাশে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে রাখেন। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভ্যাস মারাত্মক ভুল। এর ফলে বাড়িতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব হু হু করে বাড়ে। একইভাবে কাঠের সিংহাসন বা পুজোর আসনের ফাঁকে বা ছিদ্রে ধূপকাঠি গুঁজে রাখার অভ্যাসও পারিবারিক কলহ ও অশান্তি মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। পুজোর ঘটে সরাসরি ধূপ বা প্রদীপ রাখাও অত্যন্ত অশুভ, যা পরিবারে দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি ডেকে আনে।
মাটিতে রাখার কুপ্রভাব ও প্রতিকার
তাড়াহুড়ো করে অনেকেই সরাসরি মেঝের উপর বা মাটিতে ধূপ গুঁজে দেন কিংবা প্রদীপ রাখেন। শাস্ত্র জানাচ্ছে, এর ফলে ধরিত্রীদেবী রুষ্ট হন এবং সংসারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এই ধরনের বাস্তুদোষ থেকে বাঁচতে সর্বদা উপযুক্ত ধূপদানি ব্যবহার করা প্রয়োজন। প্রদীপের ক্ষেত্রেও সরাসরি মাটিতে না রেখে, সেটিকে একটি ছোট পাত্র, পিতলের প্লেট বা পরিষ্কার আসনের উপর রাখা উচিত। প্রতিদিনের পুজোর সময় এই সামান্য নিয়মগুলো মেনে চললে অশুভ শক্তির ছায়া থেকে পরিবারকে সুরক্ষিত রেখে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় রাখা সম্ভব।