‘অপারেশন সিঁদুর ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত ভারত! পরবর্তী যুদ্ধের হুংকার দিলেন সেনাপ্রধান

আসন্ন যুদ্ধের প্রস্তুতিতে অপারেশন সিন্ধুর ২.০ নিয়ে তোলপাড়!
সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্রমাগত উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষিতে ভারত নতুন করে সামরিক প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, ভারত এখন ‘অপারেশন সিন্ধুর ২.০’ নামে একটি বিশেষ সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। পাহাড়গামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার উপযুক্ত জবাব দিতে ভারত তার সামরিক কৌশলকে আরও জোরদার করেছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনীকেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ত্রিমুখী প্রস্তুতি ও যুদ্ধের নতুন কৌশল
জেনারেল দ্বিবেদী স্পষ্ট করেছেন যে, বর্তমান সময়ের যুদ্ধক্ষেত্র অত্যন্ত স্বচ্ছ, যেখানে শত্রুর প্রতিটি গতিবিধি নজরে রাখা সম্ভব। তাই কেবল সীমান্তে মোতায়েন থাকা জওয়ানদের নিরাপত্তা নয়, বরং দেশের সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করাও এখন সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পূর্ববর্তী ‘অপারেশন সিন্ধুর’ অভিযানের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, গত বছর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ভারতের চালানো সেই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদের শতাধিক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল। এছাড়া পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ৯টি বড় সন্ত্রাসী লঞ্চপ্যাড ও রাডার সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছিল, যা প্রতিবেশী দেশটির সামরিক সক্ষমতায় বড় ধাক্কা দিয়েছিল।
ভারতের এই সামরিক তৎপরতার মূল কারণ হলো সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মূলে আঘাত করা। যেকোনো সময় পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে ভারত যে পাল্টা আক্রমণের জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত, এই ঘোষণা তার স্পষ্ট বার্তা। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় ভারতের এই কঠোর সামরিক নীতি আন্তর্জাতিক মহলেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে চলেছে। যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় বাহিনীর এই সক্ষমতা প্রদর্শন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।