বিজেপি-পুলিশের বিরুদ্ধে ‘খুনের চেষ্টা’র অভিযোগ মমতার: তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না, হুঙ্কার সুপ্রিমোর

বিজেপি-পুলিশের বিরুদ্ধে ‘খুনের চেষ্টা’র অভিযোগ মমতার: তৃণমূলকে ভাঙা যাবে না, হুঙ্কার সুপ্রিমোর

অভিষেক ও কল্যাণকে খুনের চেষ্টা! বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে তোপ মমতার

তৃণমূল কংগ্রেসকে দমাতে বিজেপি ও পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে ভীতিপ্রদর্শন এবং বেআইনি কারচুপির আশ্রয় নিচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক ভার্চুয়াল বক্তৃতায় মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টাকার জোর বা পেশিশক্তি প্রয়োগ করে তৃণমূল কংগ্রেসকে কোনোভাবেই ভাঙা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দুর্বল করতে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে তিনি রাজ্য প্রশাসনের বর্তমান ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

হামলার নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই হামলার প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, ঘটনার পর প্রকৃত দোষীদের আড়াল করে পুলিশ ভুল ব্যক্তিদের গ্রেফতার করেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, তাকে সুচিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত করার চেষ্টা চলছে। মমতা সরাসরি অভিযোগ করেন যে, পুলিশ বিজেপি কর্মীদের আড়াল করতে তাদের খাবার সরবরাহসহ সবরকম সহযোগিতা করেছে, যার প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

গণতন্ত্র বিপন্ন ও কারচুপির দাবি

রাজ্যের প্রায় আড়াই হাজার দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এবং কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। সম্প্রতি সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের গণনা প্রক্রিয়াকে ‘লুট’ বলে অভিহিত করে তিনি অন্তত ১৭৭টি আসনে কারচুপির দাবি করেছেন। মমতা অভিযোগ করেন, রাজ্যের বর্তমান প্রশাসন একটি ‘আইনহীন সরকার’ হিসেবে কাজ করছে, যার ফলে সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে পালটা দাবি করা হয়েছে যে, নির্বাচনী পরাজয়ের হতাশা ও দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ঢাকতেই তৃণমূল এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *