মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতায় ভারতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, প্রশংসা ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের

মধ্যপ্রাচ্যে ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ভারতের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত রুবেন আজার। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির ইতিবাচক প্রভাব পুরো অঞ্চলকে বদলে দিতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও ভারতের ভূমিকা
রাষ্ট্রদূত আজার জোর দিয়ে বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকলে ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি এবং শক্তিশালী বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব পুরো অঞ্চলের জন্য আশীর্বাদ বয়ে আনবে। তাঁর মতে, চরমপন্থী শক্তিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে যদি স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তবে ভারত ও এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তিনি বলেন, “ভারত ও এই অঞ্চলের দেশগুলো সেই সমৃদ্ধি উপভোগ করতে পারবে যা ভারতের দিক থেকে আমাদের অঞ্চলে আসছে।”
ভারত-ইসরায়েল শক্তিশালী কূটনৈতিক সম্পর্ক
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ভারতের সাথে তাঁদের দীর্ঘদিনের গভীর কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের কথা পুনরায় স্মরণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইসরায়েল কঠোর সমালোচনার মুখে পড়লেও, ভারতের জনগণের কাছ থেকে তারা সবসময় অকুন্ঠ সমর্থন ও ‘অফুরন্ত ভালোবাসা’ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক ইসরায়েল সফর এবং দুই নেতার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক এই দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ইসরায়েলের সর্বোচ্চ সংসদীয় সম্মান ‘স্পিকার অফ দ্য নসেট মেডেল’ প্রদান করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে, যা দুই দেশের ক্রমবর্ধমান বন্ধুত্বেরই প্রতীক।