মুহূর্তে বদলে গেল পরিবেশ! ‘পেড্ডি’ ইভেন্টে কেন আতঙ্কিত হলেন জাহ্নবী কাপুর?

‘পেড্ডি’ ছবির প্রচার উপলক্ষে বিজয়ওয়াড়ায় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে চরম নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মঞ্চে যখন রাম চরণ, জাহ্নবী কাপুর এবং পরিচালক বুচি বাবু সানা দর্শকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছিলেন, ঠিক তখনই আচমকা এক ব্যক্তি নিরাপত্তার বেষ্টনী ভেঙে মঞ্চের দিকে ছুটে আসেন। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, ওই ব্যক্তির চেহারার সঙ্গে অভিনেতা রাম চরণের এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর মিল লক্ষ্য করা গেছে।
মুহূর্তের আতঙ্ক ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ
হঠাৎ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত সবাই হতচকিত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের মুখে মুহূর্তের জন্য চরম উদ্বেগের ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও রাম চরণ নিজের স্বভাবসুলভ শান্ত ও সংযত আচরণ বজায় রাখেন।
পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগেই দ্রুত পদক্ষেপ নেন রাম চরণের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী তথা পেশাদার এমএমএ ফাইটার কেভিন কুন্টা। তিনি অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে ওই ভক্তকে মঞ্চ থেকে সরিয়ে নিয়ে যান এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষীরা এসে পুরো মঞ্চের নিরাপত্তা জোরদার করেন।
হুমকি নাকি নিখাদ ভালোবাসা
তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রায়শই উদ্বেগ তৈরি হয়। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য না থাকলেও, জনাকীর্ণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার এমন ঘাটতি বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারত। তবে নিরাপত্তারক্ষীদের পেশাদারিত্বের কারণে বিষয়টি বড় রূপ নেয়নি এবং প্রচারণার মূল আকর্ষণ এতে ব্যাহত হয়নি।
তেলুগু ভাষণে মন জয় করলেন জাহ্নবী
অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার রেশ কাটিয়ে অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠেন জাহ্নবী কাপুর। ‘পেড্ডি’ ছবিতে ‘আচিয়াম্মা’ চরিত্রে অভিনয় করা এই অভিনেত্রী দর্শকদের উদ্দেশে সাবলীল তেলুগু ভাষায় বক্তব্য রেখে উপস্থিত সবার মন জয় করে নেন।
দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়ে জাহ্নবী বলেন, দর্শকদের ভালোবাসাই তাদের আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়। এই ছবিটিকে নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়া এবং জীবনের উদ্দেশ্য আবিষ্কারের গল্প হিসেবে উল্লেখ করে তিনি একে সবার কাছে অত্যন্ত বিশেষ একটি কাজ বলে দাবি করেন।
আগামী ৪ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘পেড্ডি’। রাম চরণ ও জাহ্নবী কাপুরের পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বোমান ইরানি এবং দিব্যেন্দু শর্মা।