রবিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কবলে বাংলা, ভারী বর্ষণ ও ঝড়ের সতর্কতা
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/21/jcOsEjSKjfTk92Aplvi9.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
আলিপুর আবহাওয়া দফতর রবিবার দক্ষিণবঙ্গের ছয়টি জেলায় বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প রাজ্যে প্রবেশ করার ফলে তৈরি হয়েছে এই প্রতিকূল আবহাওয়া। এর প্রভাবে রবিবার রাজ্যজুড়ে ঝড়ো হাওয়ার দাপট ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।
দক্ষিণের ছয় জেলায় হলুদ সতর্কতা
রবিবার নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম জেলায় হালকা বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। এই জেলাগুলোর জন্য বিশেষ হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ছুটির দিনে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং নদিয়া জেলায় ঝড়-বৃষ্টির এই ধারা বজায় থাকতে পারে। সাপ্তাহিক ছুটির পর আগামী শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস
উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে আবহাওয়া দফতর। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় রবিবার ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে, যেখানে বৃষ্টির সাথে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সোমবারও জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা এবং দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছে। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের পাঁচটি জেলায় এই ভারী বৃষ্টির ধারা অব্যহত থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণ ও প্রভাব
রেওয়া, রাঁচি, রোহতক এবং ক্যানিংয়ের ওপর দিয়ে মৌসুমী অক্ষরেখা বিস্তৃত থাকায় এবং উত্তর-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সাগর থেকে আসা প্রচুর জলীয় বাষ্প উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আকাশে মেঘের আস্তরণ তৈরি করেছে, যা আগামী সাতদিন পর্যন্ত ভারী থেকে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় জনজীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।