তৃণমূলের ‘অস্তিত্ব বিলীন’ হবে, ভবিষ্যদ্বাণী মন্ত্রীর; উন্নয়নের কাজে অগ্রাধিকার দিলীপের
June 6, 20269:13 pm

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিজেপির দাপুটে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের এই সাক্ষাৎকারটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তাঁর এই কঠোর অবস্থান দলের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। সাক্ষাৎকারের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
দিলীপ ঘোষের বক্তব্যের মূল দিক:
- তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন: তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, “তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্য বিজেপির দরজা চিরতরে বন্ধ।” অতীতে তৃণমূল নেতাদের দলে নিয়ে দল যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি তিনি আর চান না।
- তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ: তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, অনুপ্রবেশকে প্রশ্রয় দেওয়া এবং দেশের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর মতে, এই ‘পাপের’ কারণেই তৃণমূলের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।
- পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ পরিকাঠামো: বর্তমানে রাজ্যের গ্রামীণ রাস্তা, আবাসন ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসেবে তিনি পূর্বতন সরকারের পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে ‘দুর্নীতির আখড়া’ বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর প্রধান লক্ষ্য—কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে দ্রুত গতিতে পুনরায় চালু করা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
- দলীয় কোন্দল নিয়ে উদাসীনতা: তৃণমূলের অন্দরের ভাঙন বা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে মান্যতা দেওয়ার ঘটনাকে তিনি পুরোপুরি তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে এড়িয়ে গেছেন। তাঁর মতে, দল এইসব নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নয়, বরং উন্নয়নের কাজে মনোনিবেশ করাই তাঁদের লক্ষ্য।