বঙ্গোপসাগরের ঘনীভূত জলীয় বাষ্পে দুর্যোগের ঘনঘটা, পাহাড় থেকে সমতলে চরম ভোগান্তির আশঙ্কা!
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/24/pJE0jtGOYu9HciCFGYOt.jpg?w=1200&resize=1200,675&ssl=1)
রবিবারের কালবৈশাখী ও বৃষ্টির হাত ধরে দক্ষিণবঙ্গে গুমোট গরমের স্বস্তি মিললেও সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই চরম দুর্যোগের মুখে পড়তে চলেছে রাজ্যবাসী। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগর থেকে হু হু করে রাজ্যে প্রবেশ করছে প্রচুর জলীয় বাষ্প। এই জোরাল জলীয় বাষ্পের জেরেই উত্তর থেকে দক্ষিণ—রাজ্যজুড়ে তুমুল ঝড়বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
দক্ষিণবঙ্গে দমকা হাওয়া ও যানজটের ভ্রূকুটি
সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত মেঘের চাদরে ঢাকা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, দুই ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় আজ দফায় দফায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। কলকাতাতেও বিকেল বা অফিস ছুটির সময়ে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে শহরের নিচু এলাকাগুলিতে জল জমে ব্যাপক যানজট এবং গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতে পারে।
উত্তরবঙ্গে রেড অ্যালার্ট ও ধসের শঙ্কা
দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি আরও বেশি উদ্বেগজনক। আগামী সাত দিন সেখানে একটানা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির জেরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে হাওয়া অফিস। এছাড়া দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কোচবিহারেও চলবে তুমুল বৃষ্টিপাত। একটানা দুর্যোগের কারণে পাহাড়ি রাস্তায় ধস নামার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে ওই এলাকার যান চলাচল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি মালদহ ও দুই দিনাজপুরেও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।