মেসি-কাণ্ডের তদন্তে নয়া মোড়! প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বাড়ির দরজায় জোড়া নোটিস পুলিশের, আজই কি হাজিরা?

মেসি-কাণ্ডের তদন্তে নয়া মোড়! প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বাড়ির দরজায় জোড়া নোটিস পুলিশের, আজই কি হাজিরা?

মেসি-কাণ্ডে পুলিশের জালে হেভিওয়েট নেতার দুয়ার! অরূপ বিশ্বাসের ঠিকানায় জোড়া নোটিস ঘিরে তুঙ্গে চাঞ্চল্য

যুবভারতীতে ফুটবল সম্রাট লিওনেল মেসিকে আনার নাম করে কোটি কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও টিকিট জালিয়াতির ঘটনায় তদন্তের জাল ক্রমশ গুটিয়ে আনছে প্রশাসন। এই চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্তে এবার সরাসরি প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বাড়ির দরজায় পৌঁছেছে পুলিশ। বিধাননগর দক্ষিণ ও নিউ আলিপুর থানার যৌথ অভিযানে প্রাক্তন মন্ত্রীর নিউ আলিপুরের বাড়িতে জোড়া নোটিস ঝোলানো হয়েছে।

আইনি বেড়াজালে প্রাক্তন মন্ত্রী

গত ৪ জুন বিধাননগর দক্ষিণ থানার মামলায় অরূপ বিশ্বাসকে তলব করা হলেও, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। তবে পুলিশের দাবি, অসুস্থতার সপক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট মেডিক্যাল সার্টিফিকেট বা যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এই অসংগতিকে গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কোনো প্রকার ধোঁয়াশা না রেখে আগামী সোমবার সকাল ১১টার মধ্যে প্রাক্তন মন্ত্রীকে সশরীরে বিধাননগর থানায় হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে, আদালতের কাছে আগাম জামিনের আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি তিনি, যা তাঁর আইনি অস্বস্তিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

তদন্তের নেপথ্যে কোটি টাকার জালিয়াতি

ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তের দায়ের করা এফআইআর-এর ভিত্তিতে শুরু হওয়া এই তদন্তে ফুটবল আবেগকে পুঁজি করে গড়ে ওঠা তোলাবাজি ও জাল টিকিট বিক্রির সিন্ডিকেট চক্রের হদিস মিলছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। ভাইয়ের গ্রেফতারি এবং নিজের বাড়ির সামনে পুলিশের কড়াকড়ি—সব মিলিয়ে এই কেলেঙ্কারির নেপথ্যে থাকা মূল চক্রীদের শনাক্ত করতে তদন্তকারীরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এখন দেখার বিষয়, নির্ধারিত সময়ে অরূপ বিশ্বাস থানায় হাজিরা দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করেন, নাকি আইনি কৌশলে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। রাজনৈতিক মহলে এখন সবার নজর এই মামলার পরবর্তী মোড় এবং তদন্তের ফলাফলের দিকে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *