গরিব কল্যাণের ১২ বছর, দারিদ্র্য হ্রাসে অনন্য নজির গড়ে তুলল ভারত!

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির ১২ বছর পূর্তি ঘিরে এখন দেশজুড়ে আলোচনার ঝড়। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সাধারণ মানুষের সম্মান ও সুযোগ নিশ্চিত করতে যে নিরলস প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে, তার সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিশেষ বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, অন্ত্যোদয়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়াই ছিল সরকারের মূল লক্ষ্য।
প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতায় বদলেছে উন্নয়নের ছবি
গত ১২ বছরে ভারতের উন্নয়নচিত্র পরিবর্তনের মূলে রয়েছে প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার সঠিক সমন্বয়। জন ধন অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে স্বচ্ছ ভারত অভিযান, পিএম আবাস যোজনা, জল জীবন মিশন বা আয়ুষ্মান ভারতের মতো প্রতিটি প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। বিশেষত ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে সরকারি পরিষেবা প্রদানের পদ্ধতিতে এক বড় সংস্কার হয়েছে। এর মাধ্যমে সঠিক সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্কিং বা পোস্টাল অ্যাকাউন্টে (আধার সংযুক্ত) সরাসরি আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে প্রশাসনিক কাজে দুর্নীতি যেমন কমেছে, তেমনই কার্যকারিতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে সরকারের ওপর।
দারিদ্র্য বিমোচনে বড় সাফল্য
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দারিদ্র্য দূরীকরণে এই প্রকল্পগুলি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১২ সালে গ্রামীণ দারিদ্র্যের হার যেখানে ছিল ২৬ শতাংশ, তা ২০২৪ সালে ৫ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে লক্ষ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার মাত্র এক দশকের মধ্যে দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর মতে, গরিব কল্যাণের এই যাত্রা আজ মানুষের ক্ষমতায়নের এক সম্মিলিত আন্দোলনে রূপ নিয়েছে, যা ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে নিরন্তর সাহায্য করছে।