দিল্লিতে বড় ধাক্কা, তৃণমূলের হাতছাড়া রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের কার্যালয়!

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় ও পরিষদীয় দল ভাঙার পর এবার রাজধানীতেও বড়সড় রাজনৈতিক ধাক্কার মুখে পড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। দিল্লির ২০ নম্বর রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের যে সরকারি বাসভবনটি এতদিন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো, তার দরজাও এবার দলের জন্য বন্ধ হতে চলেছে। ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিকের বিদ্রোহী অবস্থানের কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
দিল্লির কার্যালয় বন্ধ হওয়ার কারণ
সাংসদ হিসেবে পাওয়া রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডের ওই সরকারি বাসভবনটি দিল্লিতে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হতো। এখান থেকেই দলের যাবতীয় কাজকর্ম ও সাংবাদিক বৈঠক পরিচালিত হতো। তবে সম্প্রতি দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় দলের একাংশ বিদ্রোহ ঘোষণা করায় রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি দিল্লির সমীকরণও বদলে গেছে। বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যুক্ত সাংসদ পার্থ ভৌমিক ঘরোয়া আলোচনায় স্পষ্ট করেছেন, ওই সরকারি বাসভবনটি আর কোনোভাবেই তৃণমূলকে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থা থেকেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব
দিল্লির মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কার্যালয় হাতছাড়া হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য একটি বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট তৈরি করতে পারে। জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখা এবং অন্যান্য বিরোধী দলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে এই কার্যালয়টি তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এছাড়া দলীয় প্রতীক ও কার্যালয়ের অধিকার নিয়ে তৈরি হওয়া এই தொடர்ச்சী দ্বন্দ্ব আগামী দিনে তাদের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও দুর্বল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।