মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টনের পরেই নবান্নে বড় রদবদল, ১৮ আইএএস পেলেন নতুন দায়িত্ব!

মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টনের পরেই নবান্নে বড় রদবদল, ১৮ আইএএস পেলেন নতুন দায়িত্ব!

রাজ্যে নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টনের প্রক্রিয়া শেষ হতেই প্রশাসনিক স্তরে এক বড়সড় রদবদল সম্পন্ন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কর্তৃক মন্ত্রীদের দপ্তর বুঝিয়ে দেওয়ার পরপরই নবান্নের পক্ষ থেকে সচিব পর্যায়ের একাধিক শীর্ষ আমলাকে বদলি করা হয়েছে। এই দফায় মোট ১৮ জন আইএএস (IAS) অফিসারকে নতুন দায়িত্ব ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের মতে, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের অব্যবহিত পরেই এই উচ্চপর্যায়ের আমলাতান্ত্রিক পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

গুরুত্বপূর্ণ পদে বড় পরিবর্তন

নবান্ন থেকে জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০০৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার জগদীশপ্রসাদ মীনাকে খাদ্য দপ্তরের সচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এর আগে তিনি নারী ও শিশু সুরক্ষা দপ্তর এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৩ ব্যাচের অভিজ্ঞ আমলা দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘প্রিন্সিপাল রেসিডেন্ট কমিশনার’ করার পাশাপাশি এএসএটিআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল এবং এসএনটিসিএসএসসি-র চেয়ারম্যান পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আবাসন দপ্তরের প্রধান সচিব এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব করা হয়েছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে। অন্যদিকে, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নীলম মীনাকে নিজের পদের পাশাপাশি পরিবেশ দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রদবদলের কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব

প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ব্যাপক রদবদলের মূল কারণ হলো নতুন মন্ত্রিসভার কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে আমলাতন্ত্রের সামঞ্জস্য বিধান করা। নতুন মন্ত্রীদের সঙ্গে সরকারের নীতি নির্ধারণ ও তা বাস্তবায়নে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয় ঘটাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর সম্ভাব্য প্রভাব হিসেবে মনে করা হচ্ছে যে, খাদ্য, আবাসন এবং পরিবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে। নতুন কর্মকর্তাদের হাত ধরে প্রশাসনিক স্তরে নতুন গতিশীলতা যুক্ত হবে, যা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *