রাম মন্দিরের দান চুরি! সব টাকা গায়েব হওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর চরম উদ্বেগ

এখানে সংবাদটির একটি পেশাদার রূপ দেওয়া হলো:
রাম মন্দিরের দান-রসিদ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ: এসআইটি-র নিবিড় তদন্ত
নিজস্ব সংবাদ: রাম মন্দিরের দান গ্রহণ ও রসিদ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপের ওপর জোর দিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র। মন্দিরে আগত ভক্তদের দানের হিসাব আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে গাণিতিক বিশ্লেষণের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
নৃপেন্দ্র মিশ্র জানান, মন্দিরে সরাসরি সোনা, গয়না বা নগদ অর্থ দান করার ক্ষেত্রে বর্তমানে যে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে, তা দূর করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “কেউ যদি সরাসরি সোনা বা গয়না দান করেন, তবে তার রসিদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ভক্তরা ঈশ্বরের সামনে যে দান রাখেন, তার সঠিক হিসাব থাকা জরুরি। গাণিতিক সমীকরণের মাধ্যমে গত ছয় মাসের দর্শনার্থীর সংখ্যার সঙ্গে দানের পরিমাণের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করে দেখা হবে।” তাঁর মতে, সঠিক হিসাবের অভাবই সন্দেহ তৈরির বড় কারণ।
এদিকে, মন্দিরে চুরির ঘটনার তদন্তে তৎপর হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গত বুধবার রাম মন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং প্রশাসক গোপাল রাওকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্দিরের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, দানের ব্যবস্থাপনা এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের কাছে বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্ত, আইজি কিরণ এস এবং অর্থ দপ্তরের বিশেষ সচিব নীল রতনকে নিয়ে গঠিত এই বিশেষ তদন্তকারী দল বর্তমানে ঘটনার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছে।