রণবীর ও ইমরানের প্রত্যাখ্যানের পর ককটেলের নায়ক হন সইফ!

রণবীর ও ইমরানের প্রত্যাখ্যানের পর ককটেলের নায়ক হন সইফ!

শাহিদ কাপুর, রশ্মিকা মান্দানা এবং কৃতি শ্যানন অভিনীত ‘ককটেল ২’ মুক্তির পর দর্শকমহলে ২০১২ সালের মূল ‘ককটেল’ ছবিটি নিয়ে নতুন করে নস্টালজিয়া তৈরি হয়েছে। আধুনিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ও জটিলতা নিয়ে নির্মিত সেই ছবিতে সইফ আলি খান, দীপিকা পাড়ুকোন এবং ডায়ানা পেন্টির রসায়ন আজও জনপ্রিয়। তবে দর্শকদের কাছে অভাবনীয় হলেও সত্য যে, ছবির মূল চরিত্র ‘গৌতম’-এর জন্য নির্মাতাদের প্রথম পছন্দ সইফ আলি খান ছিলেন না।

যে কারণে প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন অন্য অভিনেতারা

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সইফ আলি খান জানিয়েছেন, দীপিকা ও ডায়ানা চূড়ান্ত হওয়ার পর যোগ্য নায়ক খুঁজে পেতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছিলেন নির্মাতারা। এর মূল কারণ ছিল ছবিতে দীপিকা অভিনীত ‘ভেরোনিকা’ চরিত্রটির গভীরতা। চরিত্রটি এতটাই শক্তিশালী এবং আকর্ষণীয় ছিল যে, তার সামনে অন্য চরিত্রগুলো ম্লান হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই পিছপা হন। ইমরান খান এবং রণবীর কাপুর এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর বেশ কয়েকজন অভিনেতার কাছে যান নির্মাতারা। চূড়ান্ত পর্যায়ে সইফ নিজেই চরিত্রটিতে অভিনয় করতে সম্মত হন।

রণবীরের বারণ ও দীপিকার আইকনিক পারফরম্যান্স

এই ঘটনার সবচেয়ে চমকপ্রদ দিকটি হলো, রণবীর কাপুর কেবল নিজেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেননি, দীপিকাকেও ছবিটি করতে বারণ করেছিলেন। তবে কারও কথায় প্রভাবিত না হয়ে দীপিকা নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন এবং বলিউডে তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন। ‘ভেরোনিকা’ চরিত্রটি দর্শকমানসে এতটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, অনেকেই তাঁকে এই নামেই ডাকতে শুরু করেন। পরবর্তীতে রণবীরও স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, ছবিটির সম্ভাবনা ও গুরুত্ব বুঝতে তিনি চরম ভুল করেছিলেন। এই ঘটনাটি স্পষ্ট করে দেয় যে, সঠিক সময়ে সঠিক চিত্রনাট্য নির্বাচনই একজন শিল্পীর কেরিয়ারে কতটা সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *