সিনেমার রুপোলি পর্দা পেরিয়ে রাজনীতির মসনদ, বিজয়ের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ শুভেচ্ছা
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়ের জন্মদিনে এক উষ্ণ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থিরু সি. জোসেফ বিজয় জিকে জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা। তাঁর দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কামনা করছি।’ প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা রাজনৈতিক মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
থালাপথি থেকে মুখ্যমন্ত্রী
১৯৭৪ সালের ২২ জুন চেন্নাইয়ে জন্ম নেওয়া বিজয় আজ শুধুই একজন রাজনীতিক নন, বরং তিনি ভারতের বিনোদন জগতের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় সুপারস্টার। অভিনয় জীবনে নিজের অতুলনীয় প্রতিভা ও ক্যারিশমা দিয়ে তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি করেছিলেন তিনি। কোটি কোটি ভক্তের কাছে তিনি ভালোবেসে পরিচিতি পান ‘থালাপথি’ বা ‘নেতা’ নামে। সিনেমার পর্দার সেই ‘নেতা’ উপাধি যে একদিন বাস্তবে রূপ নেবে, বিজয়ের রাজনৈতিক উত্থান তারই প্রমাণ দেয়।
জনপ্রিয়তার সমীকরণ ও রাজনৈতিক প্রভাব
দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে সিনেমার তারকাদের শাসনভার গ্রহণ করার ইতিহাস নতুন নয়। এমজিআর, জয়ললিতা থেকে শুরু করে করুণানিধির মতো ব্যক্তিত্বরা রুপোলি পর্দার জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে সাফল্যের সঙ্গে রাজ্য পরিচালনা করেছেন। বিজয়ও সেই একই ধারা বজায় রেখে রুপোলি পর্দার বিপুল জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনকে সফলভাবে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করেছেন। সিনেমা থেকে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে এসে তামিলনাড়ুর মসনদে বসার এই অনন্য যাত্রা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে তাঁর গভীর প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতাকেই পুনর্ব্যক্ত করে। প্রধানমন্ত্রীর এই শুভেচ্ছা বার্তা মূলত বিজয়ের সেই রাজনৈতিক গুরুত্ব ও রাজ্য পরিচালনায় তাঁর নেতৃত্বের প্রতিই এক ধরণের স্বীকৃতি।