“মায়ের পেটেও ছুরি মারতে পারে এরা!” ঋতব্রতদের তীব্র আক্রমণ কুণালের

“মায়ের পেটেও ছুরি মারতে পারে এরা!” ঋতব্রতদের তীব্র আক্রমণ কুণালের

কলকাতা: নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে বৈঠক সেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও নেতৃত্ব ছাড়াই ‘নতুন তৃণমূল’ গঠন করেছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। আর এই ঘটনার পরই ‘বিদ্রোহী’ তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে বেনজির আক্রমণ শানালেন মমতা-পন্থী তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

“মায়ের পেটে ছুরি মারার মানসিকতা”

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদানের কথা মনে করিয়ে দিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বয়সেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে এদের জেতানো এবং প্রতিষ্ঠিত করার কাজ করেছেন। আজ সেই লোকগুলোই তাঁর হাত থেকে প্রতীক কাড়ার কথা বলছে! আইনের লড়াই পরে হবে, আগে ভগবানের দরবারে বিচার হবে। এদের যে মানসিকতা, এরা মায়ের পেটেও ছুরি মারতে পারে।”

“সিপিএম থেকে লাথি খাওয়া মাল”

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্যক্তিগতভাবে নিশানা করে কুণাল ঘোষ তাঁর অতীত টেনে আনেন। অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে তিনি বলেন, “এই ঋতব্রত সিপিএম থেকে লাথি খাওয়া মাল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওঁকে পায়ের কাছে আশ্রয় দিয়েছিলেন। আর সে এখন দল বহিষ্কারের কথা বলছে! এটা একটা জোক, রাজনীতি প্রহসন।”

জনতার দরবারে কেরিয়ার শেষ:

দলীয় ভাঙন এবং সংখ্যার খেলা নিয়ে কুণাল ঘোষ স্পষ্ট জানান, তাঁরা একেবারেই বিচলিত নন। বিদ্রোহীদের ‘কুনকি হাতি’ এবং ‘গদ্দার’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “সংখ্যাতত্ত্ব যাই বলুক, আমরা ভয় পাচ্ছি না। মানুষের দরবারে গেলে এই গদ্দারদের রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে যাবে, এদের কেউ ভোট দেবে না।” যারা ভয়ের চোটে বা চাপে পড়ে ওই শিবিরে গেছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে বাকিদের বিশ্বাস না করার জন্য কর্মী-সমর্থকদের আহ্বান জানান কুণাল। শেষে তাঁর প্রত্যয়ী বার্তা, “আমরা সংখ্যায় কম হতে পারি, কিন্তু আমরা গর্বিত যে আমাদের সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *