একুশের মঞ্চে ‘নাচানাচি’! তৃণমূলের শহিদ দিবসকে ‘বিজয় উৎসব’ বলে তীব্র কটাক্ষ কাকলির

একুশের মঞ্চে ‘নাচানাচি’! তৃণমূলের শহিদ দিবসকে ‘বিজয় উৎসব’ বলে তীব্র কটাক্ষ কাকলির

প্রতি বছর ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেস আবেগঘনভাবে শহিদ দিবস পালন করলেও, এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। দলত্যাগী এনসিপিআই (NCPI) সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার তৃণমূলের শহিদ দিবস পালনের বর্তমান রীতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, শহিদ দিবস এখন আর শোকের দিন নেই, তা কার্যত ‘বিজয় উৎসবে’ পরিণত হয়েছে। এর প্রতিবাদে এবার তাঁরা দিল্লির রাজঘাটে এই দিনটি পালন করবেন বলে জানিয়েছেন।

খবরের মূল হাইলাইটস:

  • ‘মঞ্চে নাচানাচি দেখে মর্মাহত হতাম’: কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে যে ধরনের নাচানাচি তিনি দেখেছেন, তা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত ব্যথিত করেছে। তাঁর মতে, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের বদলে যা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
  • পুরনোদের ব্রাত্য করার অভিযোগ: দলত্যাগী এই সাংসদ অভিযোগ করেন, দলের বহু পুরোনো এবং একনিষ্ঠ নেতাকে মঞ্চের সামনের সারি থেকে সরিয়ে পিছনের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। উলটে নবাগতদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল, যা নিয়ে তিনি রীতিমতো হতাশ ছিলেন।
  • মদন মিত্রের আক্ষেপ: কাকলির কথায় সায় দিয়ে দলের অন্দরের দীর্ঘদিনের তিক্ততা তুলে ধরেছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রও। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যাঁরা একসময় দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ‘পিছন থেকে ছুরি’ মেরেছিলেন, আজ তাঁরাই বড় বড় কথা বলছেন।
  • কেন দিল্লির রাজঘাট? তৃণমূলের পুরনো নেতৃত্ব ও দলত্যাগীদের মতে, রাজ্যে তৃণমূলের বর্তমান কর্মকাণ্ডে শহিদদের মূল আদর্শ অনেকটাই হারিয়ে গেছে। তাই সেই বিচ্যুতি থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক অধিকার ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার লড়াইকে জোরদার করতেই তাঁরা দিল্লির রাজঘাটকে নতুন মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *