‘প্রয়োজনে নিজে বিক্ষোভে নামব!’ নিট-কাণ্ডে সিজেপি-র পাশে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম বেনিয়মের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে চলা আন্দোলনে এবার সরাসরি সমর্থন জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশে জুলাইয়ের শহিদ স্মরণ মঞ্চ থেকে কেন্দ্রের কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান, প্রয়োজনে তিনি নিজে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র বিক্ষোভে শামিল হবেন।
খবরের মূল হাইলাইটস:
- সিজেপির বিক্ষোভে মমতার হুংকার: একুশের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “প্রয়োজন হলে আমি ব্যক্তিগতভাবে সিজেপির বিক্ষোভে যোগ দেব। আমরা ইতিমধ্যেই তাদের সমর্থন করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা করে যাব।” তাঁর এই মন্তব্যের পর জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ঘেরাওয়ে কংগ্রেস: আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের ওপর দিল্লি পুলিশের লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহারের প্রতিবাদে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন অভিমুখে বিশাল মিছিল করে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ হয়। এক্স (X) হ্যান্ডেলে রাহুল গান্ধী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকার ছাত্রদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালালেও এর দায় নিতে বা সংসদে আলোচনা করতে সম্পূর্ণ নারাজ।
কী কী দাবি সিজেপি-র? সোমবার সিজেপি-র প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তাঁদের প্রধান তিনটি দাবি হলো:
- আন্দোলনকারী সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের নিঃশর্ত মুক্তি।
- নিট দুর্নীতির দায়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ বা অপসারণ।
- প্রশ্নফাঁসের জেরে আত্মঘাতী হওয়া পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান।
নেপথ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র? তদন্তে দিল্লি পুলিশ দিল্লিতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মিছিল ঘিরে হওয়া অশান্তির তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, আটক হওয়া ব্যক্তিরা সকলেই নিছক ছাত্র নন। এই হিংসার নেপথ্যে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র বা পাকিস্তানের কোনো সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলের ইন্ধন রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সব মিলিয়ে নিট ইস্যুকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতি এবং রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি এই মুহূর্তে রীতিমতো উত্তপ্ত।