‘তোমাকে ছাড়া কাউকে চিনি না!’ একুশের মঞ্চে মমতাকে জড়িয়ে কান্নায় ভাসলেন শহিদ পরিবার

১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের সেই রক্তক্ষয়ী দিন। যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পালিত হয় আজকের এই শহিদ দিবস, মঙ্গলবার সেই শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভামঞ্চে। দিদিকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। জড়িয়ে ধরে আবেগতাড়িত কণ্ঠে জানান, “তোমাকে ছাড়া আমরা আর কাউকে চিনি না।”
খবরের মূল হাইলাইটস:
- আবেগঘন মুহূর্ত: একুশের মঞ্চে মমতাকে কাছে পেয়ে আবেগে ভাসলেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা, প্রমাণ করলেন এটাই প্রকৃত তর্পণের মঞ্চ।
- নেত্রীর কৃতজ্ঞতা: শত প্রলোভন ও বঞ্চনা সত্ত্বেও অটুট বিশ্বাসে পাশে থাকার জন্য শহিদ পরিবারের সামনে মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানালেন তৃণমূল নেত্রী।
- সারা বছরের ভরসা: শুধু একুশে জুলাই নয়, সারা বছর সুখে-দুঃখে ‘দিদি’-কে পাশে পাওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করলেন পরিবারের সদস্যরা।
খবরের বিস্তারিত:
এদিন মঞ্চে উপস্থিত শহিদ পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজখবর নেন। সারা বছরই এই পরিবারগুলির সঙ্গে তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ থাকে। কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে যে কোনও বিপদে-আপদে ‘দিদি’ই তাঁদের একমাত্র ভরসা বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের কথায়, নেত্রী কখনও তাঁদের নিরাশ করেননি।
শহিদ পরিবারের এই ভালোবাসার জবাবে মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি ২১ জুলাইয়ের শহিদ পরিবারের সদস্যদের সামনে মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানাতে চাই। অসংখ্য প্রলোভন, টাকার প্রস্তাব, অপমান এবং বঞ্চনার মুখেও তাঁরা আমাদের ছেড়ে যাননি। অটুট বিশ্বাস নিয়ে তাঁরা আমাদের পাশে থেকেছেন। আমি তাঁদের সামনে বিনম্রভাবে মাথা নত করছি।”
এর আগেই এই বিশেষ দিনটির কথা স্মরণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, শহিদদের এই আত্মত্যাগ সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় মা-মাটি-মানুষ পরিবারের সংকল্পকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং এই আন্দোলনের হৃদয়ে তা চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।