পড়ুয়া বিক্ষোভের আড়ালে হিংসা! ফেস ট্র্যাকিং প্রযুক্তিতে চিহ্নিত ২৫০০ দুষ্কৃতী

সর্বভারতীয় পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়মের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা ছাত্র আন্দোলনের আড়ালে গভীর ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস করল দিল্লি পুলিশ। পুলিশি সূত্রের খবর, গত ২০ জুলাইয়ের হিংসাত্মক ঘটনার পর যন্তর মন্তরে অত্যাধুনিক ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম’ (FRS) বা ফেস ট্র্যাকিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ২১ থেকে ২৩ জুলাইয়ের মধ্যে এই প্রযুক্তির সাহায্যে বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মধ্যে মিশে থাকা অন্তত আড়াই হাজার দাগি অপরাধীকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মূল হাইলাইটস:

  • ছদ্মবেশে দুষ্কৃতী: সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে দাগি অপরাধীরা যন্তর মন্তরে লুকিয়ে রয়েছে এবং সুযোগ পেলেই পুলিশকর্মীদের ওপর ছুরি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রাণঘাতী হামলা চালাচ্ছে।
  • প্রযুক্তির ব্যবহার: আন্দোলনস্থলের সমস্ত প্রবেশ ও বেরোনোর মুখে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চারটি FRS ইউনিট বসানো হয়েছে, যা সরাসরি দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ডেটাবেসের সঙ্গে যুক্ত। এর মাধ্যমে রিয়েল-টাইমে ওয়ান্টেড আসামিদের শনাক্ত করা হচ্ছে।
  • হিংসা ও এফআইআর: গত ২০ জুলাই ‘সংসদ চলো’ অভিযানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হিংসা ছড়ায়। ওই ঘটনার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৫টি এফআইআর রুজু করেছে পুলিশ।
  • সোনম ওয়াংচুকের অনশন প্রত্যাহার: এই আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ২৬ দিন ধরে আমরণ অনশনে বসা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ভোরে তাঁর অনশন প্রত্যাহার করে নেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *