অন্নপূর্ণা যোজনা: মাসে ৩০০০ টাকা পেতে দ্রুত আবেদন করুন, শেষ তারিখ কবে?

জুলাই মাস শেষ হয়ে দরজায় কড়া নাড়ছে অগাস্ট মাস। তবে এখনও অনেক মহিলা সরকারি এই লাভজনক প্রকল্পে আবেদন করার কাজটি সম্পন্ন করেননি। যাঁরা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করতে পারেননি, তাঁদের মনে প্রশ্ন জাগছে—ঠিক কতদিন পর্যন্ত এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাবে?
কতদিন পর্যন্ত করা যাবে আবেদন?
প্রশাসনের সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গত জুন মাস থেকেই এই প্রকল্পে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। সেই সময় থেকে আবেদনের জন্য মোট ৯০ দিন বা তিন মাস সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল। সেই হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করা যাবে।
যদিও এই সময়সীমা পরবর্তীতে বাড়ানো হতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে, তবে সরকারের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও সুনির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তাই অহেতুক ঝুঁকি না নিয়ে এবং প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে না চাইলে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন সেরে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। সঠিক সময়ে আবেদন ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলেই নির্দিষ্ট সময়ে সরাসরি অ্যাকাউন্টে টাকা চলে আসবে।
অগাস্ট মাসে কারা পাবেন টাকা?
ইতিমধ্যেই বিগত দুই মাস ধরে অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সহায়তা প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে এবং অনেকেই টাকা তুলে নিয়েছেন। এবার তৃতীয় মাস তথা অগাস্টে টাকা পাওয়ার পালা। প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যাঁদের নথিপত্র যাচাই বা ভেরিফিকেশনের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, শুধুমাত্র তাঁরাই অগাস্টে টাকা পাবেন।
বর্তমানে যে সমস্ত মহিলার আবেদনের স্ট্যাটাস ‘আন্ডার ইনকোয়ারি’ (Under Inquiry) দেখাচ্ছে, তাঁদের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চলছে। সরকারি কর্মীরা প্রয়োজনে সরাসরি আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে নথি যাচাই করছেন। এই ভেরিফিকেশনে যাঁরা উত্তীর্ণ হবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই সুবিধা পাবেন। তবে ভুল তথ্য বা তথ্য গোপন করলে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।
এখনও ভেরিফিকেশন না হলে কী করবেন?
অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, আবেদন করার দীর্ঘ দিন কেটে গেলেও স্ট্যাটাস এখনও ‘আন্ডার ইনকোয়ারি’ দেখাচ্ছে এবং এখনও ভেরিফিকেশন হয়নি। এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকা আবেদনকারীদের উদ্দেশ্যে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যাচাইয়ের কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছে এবং খুব শীঘ্রই এই প্রক্রিয়া শেষ করে যোগ্য প্রাপকদের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হবে।
পাশাপাশি প্রশাসনের দাবি, অনেক সময় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হয়ে গেলেও পোর্টালে ‘আন্ডার ইনকোয়ারি’ দেখাতে পারে। তাই এই বিষয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।