২১টি নতুন আসন তৈরি হলে কী হবে সুদীপ-রচনার ভবিষ্যৎ? শুভেন্দুর গোপন বৈঠকের বড় বার্তা!

দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লোকসভা আসন বাড়ানোর জল্পনার মাঝেই ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি দিল্লির বঙ্গভবনে এনসিপিআই (NCPI) সাংসদদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দলীয় সূত্রের খবর, আসন পুনর্বিন্যাস এবং সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুন মালিয়ার মতো হেভিওয়েট নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বৈঠকে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আসন সংখ্যা কি ৪২ থেকে বেড়ে ৬৩ হবে?
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি লোকসভা আসন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল মনে করছে, আসন পুনর্বিন্যাস হলে এই সংখ্যা একলাফে বেড়ে ৬৩ হতে পারে। অর্থাৎ, রাজ্যে প্রায় ২১টি নতুন লোকসভা আসন যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
শুভেন্দুর আশ্বাস ও রাজনৈতিক বার্তা
দিল্লির বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নতুন আসন যুক্ত হলে সম্পদে ও সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসবে। তবে এনসিপিআই-এ আসা বা দলবদল করা সাংসদদের আগামী দিনে প্রার্থী হওয়া কিংবা পুনর্বিন্যাসের কারণে কোনো আইনি বা রাজনৈতিক সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।
বঙ্গভবনের বৈঠকের মূল বিষয়
দুপর্বের এই বৈঠকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুন মালিয়া উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মূলত লোকসভা এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু, হাসপাতাল ও আইসিডিএস প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দেন, লিখিত প্রস্তাব জমা দিলে রাজ্য সরকার দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ সম্পূর্ণ করবে। লোকসভা অধিবেশন শেষে নবান্নে এ বিষয়ে পুনরায় বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: নির্বাচন কমিশন বা কেন্দ্র এখনো আসন সংখ্যা ৬৩ করার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তবে এই বৈঠকের পর থেকেই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে জল্পনা জোরালো হয়েছে।