বড় স্বস্তি, ১.৪২ লক্ষ শিক্ষকের চাকরি বাঁচাতে আসছে বিশেষ ‘TET’ পরীক্ষা!

আইনি জটিলতা ও চাকরি হারানোর আশঙ্কার মাঝে উত্তরপ্রদেশের প্রায় ১.৪২ লক্ষ ‘নন-TET’ শিক্ষকের জন্য এলো বড় স্বস্তির খবর। সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর যেসব শিক্ষকের চাকরি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল, তাঁদের স্বস্তি দিতে এবার একটি বিশেষ টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট (TET) আয়োজনের পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার।
বিশেষ TET পরীক্ষার আয়োজন: উত্তর প্রদেশ এডুকেশন সার্ভিস সিলেকশন কমিশন (UPESSC)-এর পক্ষ থেকে এই বিশেষ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা মেনে ইতিমধ্যে পরীক্ষার রূপরেখা বা খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে, যা দ্রুতই চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য সরকারের কাছে পাঠানো হবে।
কেন নেওয়া হচ্ছে এই বিশেষ পরীক্ষা?
- সুপ্রিম কোর্টের রায়: শীর্ষ আদালতের ঐতিহাসিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১০ সালের আগে নিযুক্ত সমস্ত শিক্ষকের জন্য TET পাশ করা বাধ্যতামূলক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাঁরা এই যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি, তাঁদের পদোন্নতি আটকে দেওয়া এবং বরখাস্ত করার মতো কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
- পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ: রায় পুনর্বিবেচনার জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দাখিল করলেও তা খারিজ হয়ে যায়। অন্যদিকে কেন্দ্র সরকারের কাছ থেকেও কোনো আইনি ছাড় না পাওয়ায়, শিক্ষকদের চাকরি বাঁচাতে অন্য কয়েকটি রাজ্যের পথ অনুসরণ করেই এই বিশেষ টেটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।
শিক্ষক পরিসংখ্যান ও পরীক্ষার ধরণ: বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে এমন নন-TET শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ১.৪২ লক্ষ। এর মধ্যে—
- প্রাথমিক স্তর: প্রায় ৬৪,০০০ জন শিক্ষক।
- উচ্চ প্রাথমিক স্তর: প্রায় ৭৬,০০০ জন শিক্ষক।
এঁরা প্রত্যেকেই ২০১০ সালের আগে তৎকালীন সরকারি নিয়ম মেনে নিযুক্ত হয়েছিলেন।