‘মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খুলবেন না!’ নবান্নে শুভেন্দুর দরবারে আর্জি মুর্শিদাবাদের ২ সাংসদের
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/02/suvendu-adhikari-2.jpg?w=1200&fit=1200,675&ssl=1)
শুক্রবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ব্রেকফাস্ট মিটিংয়ের পর, শনিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ আবু তাহের খান ও খলিলুর রহমান। এই বৈঠকে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীন তালিকা থেকে ২৯ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার বিষয়টি যেমন উত্থাপিত হয়, তেমনই উঠে আসে মসজিদের লাউডস্পিকার প্রসঙ্গও।
মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ আবেদন
- লাউডস্পিকার বিতর্ক: ২ সাংসদ মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন যেন মসজিদ থেকে কোনো মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকার সরানো না হয়। তাঁরা জানান, আইনি নিয়ম মেনেই সবকিছু পরিচালিত হবে।
- আশ্বাসের বার্তা: সাংসদদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের স্পষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন যে মুসলিমদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হবে না।
- কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দরবার: সাংসদ আবু তাহের খান জানান, এর আগে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছেও দরবার করেছেন। “ডাবল ইঞ্জিন সরকার যেন এমন কোনো পদক্ষেপ না নেয় যাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত লাগে,” বলেন তিনি।
মোদীর বার্তা ও রাজনৈতিক জল্পনা
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী মোদী এই বিদ্রোহী সাংসদদের সাথে বৈঠক করেন এবং তাঁদের পাশে থাকার ভরসা দিয়ে ‘এনডিএ (NDA)-কে একটি পরিবার’ হিসেবে বর্ণনা করেন। রাজ্যগুলির সার্বিক উন্নয়নের জন্য তাঁদের সংসদীয় বিতর্কে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।
এনডিএ (NDA) জোটে থাকা নিয়ে সাংসদদের অবস্থান
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও এনডিএ-র সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হওয়ার বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন আবু তাহের ও খলিলুর রহমান। তাঁরা স্পষ্ট জানান:
“কাগজে-কলমে এনসিপিআই কোনো জোটের শরিক নয়। এনডিএ-র ব্যানারে কোনো মিটিং ডাকা হলে আমরা যাব না, তবে এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে ডাকলে নিশ্চয়ই যাব।”
রাজনীতির জটিল সমীকরণ স্বীকার করে আবু তাহের বলেন, এই সমস্ত জটিলতা পার করেই তাঁদের এগিয়ে চলতে হবে।