বিজেপির ‘তোলাবাজ’ কারা? তালিকা বানিয়ে জমা দিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে, ধামাকাদার দাবি ঋতব্রতর!

রাজ্যে ‘নব্য’ বিজেপি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও ধমক-চমকের অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব (শমীক ভট্টাচার্য ও সুনীল বনসল) বারবার এই বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এবং অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নিচ্ছেন, তাও জেলাভিত্তিক ক্ষোভ থামছে না।
শুক্রবার নবান্নে বিরোধী দলের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। সেখানে উপস্থিত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আখরুজ্জামানরা জানান, ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর বহু কর্মী রাজনীতি বদলে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগ, রাজনৈতিক দল পাল্টালেও তাঁদের পুরনো ‘স্বভাব’ বদলায়নি। এলাকাভিত্তিক তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ওপর অত্যাচার ও তোলাবাজির কারণে নিচু তলার কর্মীরা রীতিমতো আতঙ্কিত।
বিধায়কদের মুখ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা:
বৈঠক শেষে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান:
- মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী বিধায়কদের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন—কোন কোন বিজেপি কর্মী তোলাবাজি করছে, কার কাছে কত টাকা চাইছে, তার বিধানসভাওয়ারি তালিকা তৈরি করে সোজা নবান্নে জমা দিতে।
- মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, তালিকা পেলে তিনি দলমত নির্বিশেষে প্রশাসনিক কড়া পদক্ষেপ নেবেন।
- ঋতব্রতর ভাষায়, “অন্যায় রুখতে প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকা দরকার। মুখ্যমন্ত্রী তো শাসক-বিরোধী সকলের, তাই প্রশাসনিক পদক্ষেপ সবার জন্যই সমান হওয়া উচিত।”
ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়েও সুর চড়ালেন ঋতব্রত:
একই সঙ্গে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এতদিন ধরে ছাত্রভোট বন্ধ রাখা এক ধরণের ‘ফ্যাসিজম’। খুব দ্রুত নির্বাচন চালুর দাবিতে তারা মুখ্যমন্ত্রী ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানাবেন।