ছাত্র সংসদ নির্বাচন কবে! উত্তর খুঁজছে রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার হতাশ পড়ুয়া

ছাত্র সংসদ নির্বাচন কবে! উত্তর খুঁজছে রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার হতাশ পড়ুয়া

রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রসংসদ নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে জোরদার জল্পনা শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালের পর থেকে সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানেই ছাত্রভোট বন্ধ রয়েছে, যা নিয়ে শনিবার তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, অবিলম্বে ছাত্রভোট করানোর দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হবে। তবে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ক্যাম্পাসে যথেষ্ট সংখ্যায় পড়ুয়ারা ফিরলেই কেবল বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হবে। পাশাপাশি, ক্যাম্পাসে অশান্তি এড়াতে সরকার কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখবে বলেও তিনি বার্তা দিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রভোট না হওয়ায় রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে বলে শিক্ষাবিদ ও ছাত্রসংগঠনগুলোর একাংশের অভিযোগ। অতীতে বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে ছাত্র আন্দোলনের হাত ধরে রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদল ঘটলেও, গত প্রায় এক দশক ধরে ক্যাম্পাসগুলোয় ভোট বন্ধ রাখায় ক্ষোভ বাড়ছে। শাসকদলের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসএফআই, এবিভিপি এবং ডিএসও-র মতো বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনগুলো দ্রুত লিংডো কমিশনের সুপারিশ মেনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। একদিকে প্রশাসন যখন পর্যাপ্ত উপস্থিতির শর্তে ভোট ঝুলিয়ে রাখতে চাইছে, অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীদের জোরালো দাবি—সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার স্বার্থেই অবিলম্বে ক্যাম্পাসগুলিতে গণতান্ত্রিক নির্বাচন ফিরিয়ে আনা জরুরি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *