‘আইন পাশ হলেও কার্যকর নয় কেন?’ মহিলা সংরক্ষণ ইস্যুতে রিজিজুকে সরাসরি প্রশ্ন রাহুলের

নয়াদিল্লি: মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করা নিয়ে নতুন করে শুরু হলো কেন্দ্র ও বিরোধীদের রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ২০২৩ সালের একটি পুরনো ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, যেখানে রাহুল গান্ধীকে নারী অধিকার ও স্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করতে দেখা যায়। ভিডিওটি শেয়ার করে রিজিজু আশা প্রকাশ করেন যে, সরকার যখন এই আইন বাস্তবে রূপায়ণ করবে, তখন কংগ্রেস কোনো শর্ত ছাড়াই পূর্ণ সমর্থন দেবে।
তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই পোস্টের সপাট জবাব দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে রাহুল লেখেন— সংসদ বিষয়কমন্ত্রী হিসেবে রিজিজুর জানা উচিত যে কংগ্রেসের সর্বসম্মত সমর্থনেই ২০২৩ সালে ‘নারীশক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ পাশ হয়েছিল। কিন্তু তিন বছর কেটে যাওয়ার পরও কেন তা কার্যকর করা হয়নি? ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাসের অজুহাতে কেন আটকে রাখা হচ্ছে নারীদের এক-তৃতীয়াংশ অধিকার? রাহুলের স্পষ্ট দাবি, কোনো শর্ত ছাড়াই অবিলম্বে ২০২৩ সালের এই আইন বলবৎ করতে হবে।
বিতর্কের মূল কারণ:
২০২৩ সালে ১০৬তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে নারীদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের আইন পাশ হয়। কিন্তু সরকারের যুক্তি, নতুন করে আসন পুনর্বিন্যাস (Delimitation) না হওয়া পর্যন্ত এটি চালু করা সম্ভব নয়। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি— আসন পুনর্বিন্যাসের দোহাই না দিয়ে বর্তমান ৫৪৩টি লোকসভা আসনেই অবিলম্বে ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ চালু করা হোক।