রেশনের চাল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! বদলাচ্ছে খাদ্য বিতরণের ছবি?

ইথানল উৎপাদনের জন্য রেশনে সরবরাহ করা চালে ভাঙা চালের পরিমাণ কমানোর কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সক্রিয় হয়েছে রাজ্য খাদ্যদপ্তর। আসন্ন ২০২৬-২৭ খরিফ মরশুম থেকেই এই নির্দেশিকা কার্যকর করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সেদ্ধ চালে ভাঙা চালের অনুপাত ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং আতপ চালে ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হবে। তবে ২০২৭-২৮ মরশুম থেকে চালে কোনো ভাঙা চাল না রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে রেশনের পাশাপাশি মিড ডে মিল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে সরবরাহ করা খাদ্যের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
পেট্রলে মিশ্রণের জন্য ইথানলের পর্যাপ্ত জোগান নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, বিকল্প উপাদানের তুলনায় চাল থেকে ইথানল উৎপাদন খরচ সাশ্রয়ী হওয়ায় এফসিআই আগামী মরশুমে ৭২ লক্ষ টন চাল সরবরাহ করবে। এই পরিবর্তন সফল করতে রাইস মিলের মেশিনারিজগুলিতে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিবর্তন আনার নির্দেশ জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চাল থেকে ইথানল উৎপাদন সামান্য থাকলেও, বর্তমানে তা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের এই নীতি খাদ্য সুরক্ষার মান উন্নত করার পাশাপাশি জ্বালানি নীতিকেও শক্তিশালী করবে।