লালকেল্লায় পুষ্পবৃষ্টি, আকাশ ছুঁবে সুর: ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিতে নজিরবিহীন স্বাধীনতা দিবস!
/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/07/vande-mataram-150-years-bankim-chandra-legacy-2025-11-07-15-40-04.jpg?ssl=1)
নয়াদিল্লি: সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কালজয়ী গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এবারের স্বাধীনতা দিবসে এক বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। আগামী ১৫ আগস্ট ঐতিহাসিক লালকেল্লায় জাতীয় উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’। আজ সোমবার প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং একটি সাংবাদিক বৈঠকে এই সংক্রান্ত বর্ণাঢ্য পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছেন।
লালকেল্লার মূল আকর্ষণসমূহ:
- পুষ্পসজ্জা: লালকেল্লার প্রাঙ্গণে প্রাচীরের দুই পাশে বর্ণিল ফুল দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হবে ‘বন্দে মাতরম’।
- মানববন্ধন: ‘জ্ঞানপথ’-এ এনসিসির ক্যাডেট এবং ‘মাই ভারত’-এর প্রায় ২,৫০০ জন স্বেচ্ছাসেবক যৌথভাবে মানববন্ধনের মাধ্যমে ‘বন্দে মাতরম’ লেখাটি ফুটিয়ে তুলবেন।
- সমবেত পরিবেশনা: প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শেষে সমবেত কণ্ঠে উদগীত হবে এই ঐতিহাসিক গান। সেনা ব্যান্ডের সুরের মূর্ছনায় উপস্থিত সবাই একসাথে কণ্ঠ মেলাবেন।
- বায়ুসেনার পুষ্পবৃষ্টি: সমবেত পরিবেশনার সময় ভারতীয় বায়ুসেনার হেলিকপ্টার থেকে লালকেল্লা চত্বরে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে।
দেশজুড়ে উদযাপনের আবহ:
কেবল লালকেল্লাতেই নয়, ৮ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশের ৩৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (CRPF, BSF, ITBP ইত্যাদি) বিশেষ ব্যান্ড প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ‘বন্দে মাতরম’ গানটি রচনা করেন, যা পরে তাঁর ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে অন্তর্ভুক্ত হয়। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর গানটির ১৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এই মূল মন্ত্রটির সাথে পুনরায় সংযুক্ত করতেই এই বছরজুড়ে বিস্তৃত বিশেষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়েছে।