চাকরির ইন্টারভিউতে প্রার্থীর সঙ্গে বাবা-মা! অবাক করা কাণ্ড দেখে হতবাক নিয়োগকর্তারা!

চাকরির ইন্টারভিউতে একা যাওয়ার দিন কি তবে শেষ? বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের এমন অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা দেখে হতবাক খোদ নিয়োগকর্তারা। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত একটি চাঞ্চল্যকর সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। সেখানে দেখা গিয়েছে, প্রায় ৭৭ শতাংশ তরুণ চাকরিপ্রার্থী ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় বাবা-মাকে সঙ্গে রেখেছেন। শুধু তাই নয়, এর মধ্যে অন্তত ত্রিশ শতাংশ ক্ষেত্রে অভিভাবক নিজেই সন্তানের হয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। এমনকি ছাব্বিশ শতাংশের বেশি বাবা-মা সরাসরি বেতন বা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিয়োগকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন, যা পেশাদার দুনিয়ায় এক বিরল ও উদ্বেগের বিষয়।
মনোবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অস্বাভাবিক মানসিক নির্ভরশীলতার নেপথ্যে রয়েছে জেন জি প্রজন্মের কোভিডকালীন গৃহবন্দি শৈশব ও অনলাইন-নির্ভর জীবনযাত্রা। সামনাসামনি যোগাযোগের যথেষ্ট সুযোগ না পাওয়ায় এই প্রজন্মের অনেকের মধ্যেই আত্মবিশ্বাস ও মৌলিক সামাজিক দক্ষতার ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ফলে কর্মক্ষেত্রে পা রেখেও তারা নিজেদের স্বাধীনভাবে মেলে ধরতে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর হয়ে পড়ছেন। তবে কর্মসংস্কৃতির পরিপন্থী এই প্রবণতা শুধু তরুণদের ভবিষ্যৎকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে না, বরং কর্পোরেট দুনিয়ায় বড় ধরনের শঙ্কার মেঘ তৈরি করছে।