১২ বছর বিবাহিত জীবনের পর গোপন রহস্য ফাঁস! পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সফিকুল আসলে কে?

উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সীমান্ত সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার দেওনা গ্রামে পাক গুপ্তচর সন্দেহে ধৃত সফিকুল ইসলামকে নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ তাকে গ্রেফতার করে দেওনা গ্রামে আনলে চমকে যান তাঁর স্ত্রী সখিনা বিবি। দীর্ঘ ১২ বছর আগে বিয়ে হলেও সখিনা জানান, তিনি কোনো দিন শ্বশুরবাড়ি যাননি এবং তাঁর স্বামীর আসল পরিচয় বা কাজের বিষয়ে কিছুই জানেন না। দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে সফিকুল তাঁকে বিয়ে করেছিল বলে দাবি স্বজনদের। বিগত দুই বছর ধরে সে এলাকায় নিয়মিত আসত না। বর্তমানে তিন সন্তানকে নিয়ে সেলাইয়ের কাজ করে সংসার চালাচ্ছেন সখিনা। সফিকুল টোটো চালাত বলে তাঁর দাবি হলেও, পেছনের চক্রান্তের গভীরতা ভাবিয়ে তুলছে আধিকারিকদের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, সফিকুল এই দেশের স্থায়ী বাসিন্দা নয়, বরং সে বাংলাদেশি বা অন্য কোনো দেশের নাগরিক হতে পারে। পাঞ্জিপাড়ায় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্প থাকায়, ভৌগোলিক কৌশলগত সুবিধাকে কাজে লাগাতেই এই গ্রামকে সে তার চক্রান্তের আস্তানা বানিয়েছিল বলে ধারণা তদন্তকারীদের। শ্বশুরবাড়ির ছদ্মবেশে থেকে আইএসআই সংক্রান্ত চক্রান্তের জাল বোনাই ছিল তার মূল লক্ষ্য কি না, তা খতিয়ে দেখছে এসটিএফ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত চক্রান্তের মূল শিকড় এবং আরও গোপন তথ্য সামনে আসবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।