রান্নার গ্যাসে বিশাল স্বস্তি! ২৫ কোটিরও বেশি গ্রাহকের জন্য ২৪টি সংস্থাকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

দেশে এলপিজির জোগান অব্যাহত রাখতে ও সংকট এড়াতে ২৪টি তেল শোধনাগার সংস্থাকে এলপিজি উৎপাদনের সর্বোচ্চ মাত্রা বেঁধে দিল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। গত ১৩ অগস্ট জারি করা এই নির্দেশিকায় ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত, ৩টি বেসরকারি এবং ৩টি আপস্ট্রিম সংস্থাকে যুক্ত করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানিতে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা দূর করতেই মূলত এই সিদ্ধান্ত। নতুন এই নীতিমালার ফলে দেশে দৈনিক মোট ৬৩,৮১০ মেট্রিক টন এলপিজি উৎপাদিত হবে, যা অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ নিশ্চিত করবে। এর মধ্যে একা রিলায়েন্সের জামনগর শোধনাগারকেই দৈনিক ১৮ হাজার টন উৎপাদনের সর্বোচ্চ লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে।
রান্নার গ্যাসের এই বিশাল জোগান সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি শোধনাগারগুলিকে এলপিজি মজুত, নিষ্কাশন এবং পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার কড়া নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। উৎপাদন বাড়াতে ন্যাপথা ব্যবহার এবং ফ্লুইড ক্যাটালিটিক ক্র্যাকিং ইউনিট আপগ্রেড করার মতো প্রযুক্তিগত কৌশল গ্রহণের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি এবং ১ জুলাই এই উৎপাদন ক্ষমতার পর্যালোচনা করবে সরকার। কোনো সংস্থা নির্দেশ অমান্য করলে বা উৎপাদনে গাফিলতি দেখা দিলে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫’ অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা ছাড়া জনস্বার্থে কেন্দ্র প্রয়োজনে যেকোনো সংস্থাকে জরুরি ভিত্তিতে বাড়তি উৎপাদনের নির্দেশ দেওয়ার বিশেষ ক্ষমতাও নিজের হাতে রেখেছে।