২০২৬-এর শেষে এল নিনোর দাপট! ভারতে কি ফিরছে চরম আবহাওয়ার আতঙ্ক?

প্রশান্ত মহাসাগরের ক্রমবর্ধনশীল তাপমাত্রা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। মার্কিন সংস্থা নোয়া (NOAA)-এর সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ দিকে ‘এল নিনো’ চরম শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। ১৯৫০ সালের পর এটি ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী এল নিনো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের এই প্রাকৃতিক জলবায়ু পরিবর্তন কেবল সামুদ্রিক উষ্ণতা নয়, বরং বিশ্বের বায়ুপ্রবাহের গতিপথ বদলে দিতে সক্ষম। এর ফলে কোথাও ভয়াবহ খরা, আবার কোথাও অতিবৃষ্টির মতো চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের ওপর। যদিও শক্তিশালী এল নিনো মানেই নিশ্চিত খরা নয়, তবে ভারতীয় মৌসুমি বায়ুর ওপর এর গভীর প্রভাব কৃষি ও জলসম্পদের জন্য উদ্বেগের কারণ। পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়াতেও এর আঁচ লাগতে পারে, যেখানে দীর্ঘ শুষ্ক সময়ের পর হঠাৎ অতিবৃষ্টি বা চরম তাপমাত্রার মতো অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। এখনই আতঙ্কিত না হলেও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন বিজ্ঞানীরা। প্রশান্ত মহাসাগরের অস্বাভাবিক উষ্ণতা ২০২৬-এর শেষে বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে, যা নিয়ে সতর্ক থাকাই শ্রেয়।