সীমান্তে চাষবাসের আড়ালে পাক চরের জাল, দিনহাটায় এসটিএফের জালে আরও এক আইএসআই এজেন্ট!

সীমান্তবর্তী এলাকায় সাধারণ চাষাবাদের আড়ালে পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তি করার অভিযোগে কোচবিহারের দিনহাটা থেকে মিঠু রহমান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। দিনহাটা দুই ব্লকের নাজিরহাটের দিঘলটারি গ্রাম থেকে ধৃত ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। স্বাধীনতা দিবসে উত্তরবঙ্গ থেকে ধৃত তিন পাক চরকে জেরা করেই এই যুবকের সন্ধান মেলে। পুলিশ জানিয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় থাকার সুযোগ নিয়ে ধৃত যুবক এদেশের সিমকার্ড বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে পাচার করত এবং জাল নোট কারবারের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত ছিল। সোমবার তাকে দিনহাটা আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
গোয়েন্দাদের দাবি, ঢাকা ও রংপুরের দুই আইএসআই হ্যান্ডলার আকবর হোসেন ও ওমরের নির্দেশে এই চক্রটি চালিত হতো, যারা ঢাকার পাক দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করে। ধৃতরা নেপালের লিঙ্কম্যানদের মাধ্যমে অন্তত ১২টি ভারতীয় সিমকার্ড ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পাঠিয়েছে এবং বিগত কয়েক বছরে সীমান্ত দিয়ে লক্ষাধিক টাকার জাল নোট পাচার করেছে। স্বাধীনতা দিবসে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের তালিকায় নাম না থাকায় মিঠু রহমান ‘স্লিপার সেল’ হিসেবে সক্রিয় ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উত্তরবঙ্গে এই চক্রান্তের জাল আরও কতদূর বিস্তৃত এবং এই চক্রে আর কারা জড়িত রয়েছে, তা জানতে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ ও এসটিএফ।