মুকুল-দিলীপের পর জাতীয় রাজনীতিতে চমক! নীতিন নবীনের নতুন টিমে বিশাল দায়িত্ব পেলেন বাংলার বিখ্যাত চিকিৎসক

বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে নতুন কেন্দ্রীয় টিম ঘোষণা করলেন দলের সভাপতি নীতিন নবীন। ‘পূবে তাকাও’ নীতি বজায় রেখে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মুখ, রাজ্যভিত্তিক ভারসাম্য এবং বিশেষ করে মহিলা নেতৃত্বে জোর দেওয়া হয়েছে এই নতুন কাঠামোয়। এই পুনর্গঠনে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে উঠে এসেছে বাংলার বিশিষ্ট অনকোলজিস্ট ড. মধুচ্ছন্দা করের নাম। মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষের পর প্রথম সারির জাতীয় স্তরে বাংলার প্রতিনিধিত্ব বজায় রেখে তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হয়েছে। দীর্ঘদিনের পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজ্যের সাংগঠনিক কাজের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই বসুন্ধরা রাজের মতো পোড় খাওয়া নেত্রীদের পাশাপাশি ঠাঁই পেলেন এই বাঙালি চিকিৎসক।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, ২০২৬-এর পর রাজ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে একজন শিক্ষিত ও পেশাদার মহিলা মুখকে সামনে এনে বিজেপি বিশেষ বার্তা দিল। মূলত চিকিৎসক সমাজ ও শহুরে মধ্যবিত্তের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোই এই কৌশলের মূল লক্ষ্য। নীতিন নবীনের এই নতুন টিমে মহিলা প্রতিনিধিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যেখানে ড. মধুচ্ছন্দা কর ছাড়াও সহ-সভাপতি পদে ৬ জন মহিলা স্থান পেয়েছেন। পাশাপাশি জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে স্মৃতি ইরানিকে। সার্বিকভাবে অভিজ্ঞ নেতাদের ধরে রেখে পেশাদার ও নতুন প্রজন্মকে সুযোগ দেওয়ার এই প্রক্রিয়ায় ড. মধুচ্ছন্দা করের পদোন্নতি জাতীয় রাজনীতিতে বঙ্গ বিজেপির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক পদক্ষেপ।