যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ৮বি-তে বামেদের জমায়েত, এবিভিপি এগোলেই কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ৮বি-তে বামেদের জমায়েত, এবিভিপি এগোলেই কঠোর প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি!

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বুধবার রাতে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও এবিভিপির মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার সকালেও এলাকা উত্তপ্ত রয়েছে। বুধবারের উত্তেজনার জেরে উভয় পক্ষ আলাদাভাবে বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। ক্যাম্পাসে শান্তি ফেরাতে পুলিশ ঢুকে তল্লাশি চালিয়ে বহিরাগতদের বের করে দেয়। ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়, যেখানে উভয় শিবিরের একাধিক ছাত্র আহত হন। এ ঘটনায় দক্ষিণ কলকাতার বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বিই-র এক ছাত্র ১১ জনের বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় এফআইআর দায়ের করেন।

পরিস্থিতি মোকাবেলায় ডিএসএফ সদস্যরা ৮বি বাস স্ট্যান্ড থেকে মিছিল শুরু করলে পুলিশ শুরুতেই তা আটকে দেয়। অন্যদিকে, এবিভিপি যাদবপুর থানা থেকে মিছিলের আয়োজন করলেও এসএফআই তা প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এসএফআই-এর রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের প্ররোচনায় বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। ডিএসএফ ও আরএসএফ নেতৃত্বের দাবি, বৈঠক বানচাল করতে বাম ছাত্রদের অরবিন্দ ভবনে আটকে রেখে ক্যাম্পাসে আগুন ও ইটপাটকেল ছোড়া হয়। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এবিভিপি দাবি করেছে, জিবি মিটিংয়ের নামে পরিকল্পনা করে বাম ছাত্ররা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং তাদের আহত সভাপতি নিখিল রায় বর্তমানে কেপিসি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *