সুপ্রিম কোর্টে তরুণ তেজপাল, ১০ বছরের সাজা মকুব নাকি রাজ্য সরকারের দাবিতে মিলবে যাবজ্জীবন?

সহকর্মীকে যৌন নির্যাতনের দায়ে বম্বে হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ‘তহেলকা’-র প্রাক্তন সম্পাদক তরুণ তেজপাল। আত্মসমর্পণের জন্য প্রাপ্ত চার সপ্তাহের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই ৬২ বছর বয়সী এই সাংবাদিক সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানালেন। ২০১৩ সালে গোয়ায় একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন লিফটের ভেতর জুনিয়র সহকর্মীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে গোয়ার নিম্ন আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস দিলেও বম্বে হাইকোর্ট সেই রায় বাতিল করে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে। বিচার চলাকালীন আসামিপক্ষের দীর্ঘ জেরার মাধ্যমে নির্যাতিতাকে মানসিক হেনস্থা করার বিষয়েও উচ্চ আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল।
আইনি লড়াই এখন দ্বিমুখী রূপ নিয়েছে; একদিকে তেজপাল সাজা মকুবের চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে গোয়া সরকারও সুপ্রিম কোর্টের দরজায় কড়া নেড়েছে। রাজ্য সরকারের মতে, তেজপালের এই অপরাধের জন্য ১০ বছরের কারাদণ্ড অত্যন্ত কম এবং অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিত। শুরু থেকেই নিজেকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তেজপাল। বম্বে হাইকোর্টের কঠোর অবস্থানের পর এখন সর্বোচ্চ আদালত তেজপালকে কোনো আইনি স্বস্তি দেয়, নাকি গোয়া সরকারের দাবি মেনে সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন করে, সেদিকেই নজর দেশবাসীর।