পুরনো ফোন-জামা বেচলেই ট্যাক্স? জানুন আয়করের আসল নিয়ম!

পুরনো ফোন-জামা বেচলেই ট্যাক্স? জানুন আয়করের আসল নিয়ম!

পুরনো মোবাইল, ল্যাপটপ, জামাকাপড়, আসবাবপত্র বা গাড়ি বিক্রি করার আগে আয়করের নিয়ম জানা জরুরি। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সম্পদ বেশি দামে বিক্রি করে লাভ হলে তাকে ‘ক্যাপিটাল গেইন’ বলা হয় এবং তার ওপর কর প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সব জিনিস বিক্রিতে ট্যাক্স দিতে হয় না।

কোন ক্ষেত্রে কর ছাড় মিলবে? দৈনন্দিন ব্যবহারের ‘ব্যক্তিগত সামগ্রী’ (Personal Effects) যেমন—পোশাক, আসবাব, মোবাইল, ল্যাপটপ বা গৃহস্থালির ইলেকট্রনিক জিনিস বিক্রি করলে কোনো আয়কর দিতে হয় না। যেমন: ৫০,০০০ টাকায় কেনা ল্যাপটপ ১৫,০০০ টাকায় বেচলে কোনো ট্যাক্স বসবে না। গাড়ি বা স্কুটারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

গয়না ও মূলবান জিনিসের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম: সোনা, রুপা, প্ল্যাটিনাম বা যেকোনো মূল্যবান পাথরের গয়নাকে ‘ব্যক্তিগত সামগ্রী’ হিসেবে গণ্য করা হয় না। তাই গয়না, চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য বা প্রত্নবস্তু বিক্রি করে লাভ হলে তার ওপর ট্যাক্স দিতে হবে। এমনকি সাধারণ জামাকাপড় বা আসবাবপত্রে সোনা-হিরে বসানো থাকলেও তা গয়না হিসেবেই ধরা হবে।

ট্যাক্স কীভাবে হিসাব করা হয়? বিক্রির পুরো টাকার ওপর ট্যাক্স বসে না, শুধুমাত্র ‘নিট লাভ’-এর ওপর কর হিসেব করা হয়। যেমন: ২ লক্ষ টাকায় কেনা সোনা ৪ লক্ষ টাকায় বেচলে, বাড়তি ২ লক্ষ টাকার লাভের ওপর কর দিতে হবে। উপহার বা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গয়নার ক্ষেত্রে আগের মালিকের কেনার দাম ও সময় বিবেচনা করা হয়।

আইনি ঝামেলা এড়াতে যেকোনো দামী জিনিস কেনাবেচার সময় পাকা বিল, রসিদ ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংরক্ষণ করা উচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *