ভাঙনের গ্রাসে কপিলমুনির ঐতিহ্য! রক্ষা করতে আসছে কোন মেগা প্রকল্প?

গঙ্গাসাগরের ঐতিহাসিক কপিলমুনি মন্দির সংলগ্ন উপকূল এলাকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে দেশ-বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটলেও, সমুদ্রের গ্রাস থেকে এই পবিত্র চত্বরকে পুরোপুরি রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। অমাবস্যা ও পূর্ণিমার কোটাল কিংবা বর্ষার সময়ে ভাঙনের তীব্র ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এর আগে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে টেট্রাপড বসানো হলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি, বরং জলের প্রবল তোড়ে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁধ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার নেদারল্যান্ডস এবং আইআইটি মাদ্রাজের বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন ‘বিচ নারিশমেন্ট’ প্রকল্পের পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার।
নতুন এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সৈকতের ক্ষয়প্রাপ্ত অংশে প্রয়োজনীয় বালি ও পলি ফিরিয়ে এনে উপকূলের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সমুদ্রের ঢেউ সরাসরি পাড়ে আছড়ে পড়ার আগেই তার শক্তি কমানোর ব্যবস্থা করা হবে। অতীতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও দীর্ঘমেয়াদি সুফল মেলেনি। তবে এবারের এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পর্যটক ও পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গঙ্গাসাগরের ভাঙন সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।