সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিয়ারার কঠিন অ্যাকশন দৃশ্য! গর্ভাবস্থায় শরীরচর্চা কি আদৌ নিরাপদ?

গর্ভাবস্থার সাত মাস পর্যন্ত শুটিং চালিয়ে যাওয়া এবং অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নেওয়ার খবর সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠেছে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শরীরচর্চার নিরাপত্তা নিয়ে। চিকিৎসকদের মতে, স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় শরীরচর্চা পুরোপুরি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই, বরং নিয়মিত ও পরিমিত ব্যায়াম মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। তবে গর্ভাবস্থায় ব্যায়ামের নিয়ম সবার ক্ষেত্রে এক হয় না। যাঁরা আগে থেকেই নিয়মিত শরীরচর্চা করতেন, তাঁরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তা চালিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু গর্ভাবস্থায় নতুন করে কোনো কঠিন বা অতিরিক্ত পরিশ্রমের ব্যায়াম শুরু করা একেবারেই ঠিক নয়। শরীরের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়ামের ধরন ও মাত্রাও বদলানো অত্যন্ত জরুরি।
গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যায়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। জটিলতাহীন গর্ভাবস্থায় সাধারণত সপ্তাহে প্রায় ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যকলাপ নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এমন কসরত, অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টিকারী বা পেটে আঘাত লাগার আশঙ্কা থাকে এমন শরীরচর্চা কঠোরভাবে এড়িয়ে চলতে হবে। ব্যায়ামের সময় রক্তপাত, মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা, তীব্র পেটে যন্ত্রণা বা অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। প্লাসেন্টার সমস্যা বা গর্ভকালীন কোনো জটিলতা থাকলে নিজে থেকে ব্যায়াম করা থেকে বিরত থাকা উচিত।